অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৩০শে মে ২০২০ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭


চরফ্যাশনে রাতের আধারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ


চরফ্যাসন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৬ই এপ্রিল ২০২০ রাত ০১:০২

remove_red_eye

৪৪

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: চরফ্যাশনে জুয়া ও মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। আহত মো. মোক্তার হোসেন (৪০) পশ্চিম খোদেজাবাগ ৮নং ওয়ার্ডের মৃত আলতাফ হোসেন পাটওয়ারির ছেলে। তিনি একাধীক জাতীয়,আঞ্চলীক পত্রিকার সাংবাদিককে অভিযোগ করে বলেন, গত (১৩এপ্রিল) রাত ১টার সময় তার নিজ বাড়িতে একই এলাকার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মান্নান মিয়ার ছেলে সোহাগ,জিন্নাগড় ৩নং ওয়ার্ডের সিরাজ মিয়ার ছেলে মো. মনির হোসেনসহ রিপন,প্রিন্স ও আরোও ৭ থেকে ৮জন যুবক মিলে আমাকে বাড়ির পুকুর ঘাটলার কাছে ডেকে নিয়ে বলেন, এলাকায় জুয়া ও মাদক খেলে তোর সমস্যা কি? জবাজে আমি সমস্যা আছে বললেই তারা আমাকে এলোপাথারি লাঠিসোটা দিয়ে মারধর করে ফুলা জখম করে। এসময় আমার লিঙ্গ ও অÐকোষে আঘাত করে। তাৎখনিক আমার ডাক চিৎকারে বাড়ি থেকে আমার স্বজনরা বেড়িয়ে আসলে তিনজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও মোটর সাইকেল নিয়ে মো. মনির হোসেন পালাতে পাড়েনি। এসময় বাড়ির লোকজন এসে তাকে আটক করে চরফ্যাশন সদর থানার পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল থেকে মনির হোসেনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। মোক্তার হোসেন আরোও জানান, এঘটনার দুইদিন পূর্বে একই এলাকার সুলতান হাজির ছাড়া বাড়ি নামক স্থানে হামলাকারিরা দির্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও জুয়ার আসর চালাচ্ছিল সেখানে মোক্তার হোসেন এলাকার পরিবেশ নষ্ট হওয়ায় ও বাঁধা দেওয়ায় এ হামলা করা হয়। এছাড়াও ২০১৭ সালে খোঁদেজাবাগ এলাকায় ডাকাতি করার সময় মোক্তার হোসেনসহ স্থানিয়রা মিলে চার ডাকাতকে আটক করে পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার পর থেকে দফায় দফায় এলাকার ও বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলার শ্বিকার হতে হয়েছে বলে জানান তিনি। এ হামলাকে কেন্দ্র করে তার স্বজন মো. আহাম্মদ উল্লাহকে আজ দুপুরে চরফ্যাশন বাজার থেকে ধরে নিয়ে মারধর করে পা ভেঙ্গে দেয় বলেও জানান মোক্তার হোসেন। থানায় মোক্তার হোসেন ও তার স্বজনদের নামে হয়রানি করার জন্য উল্টো মামলা করার পায়তারা করছেন অভিযুক্ত মনির হোসেন। এ অভিযোগের বিষয়ে মো. মনির হোসেন জানান, রবিবার (১২এপ্রিল) রাতে আসলামপুর ইউনিয়নের ভূইয়ারহাট বাজার থেকে ব্যবসায়িক কাজ শেষ করে মটর সাইকেল যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে আসার সময় পশ্চিম খোদেজাবাগ ৮নং ওয়ার্ডে রাস্তার উপরে আমাকে বেরিকেড দিয়ে মো. আকতার হোসেন, জুয়েল ও জাফরের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন মিলে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে দাঁ সেনি ও লাঠিসোটা দিয়ে এলোপাথারি মারধর করে আমাকে হত্যা চেষ্টা চালায়। এতে আমার ডান হাত ভেঙ্গে যায়,পিঠে ও পায়ে রডের আঘাতের ফুলা জখম হয়। এসময় আমার পকেটে থাকা দেড় লাখ টাকা ও আমার গলার স্বর্ণের চেইন এবং হাতের আংটি নিয়ে যায়। চরফ্যাশন সদর থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আরেফিন বলেন, থানায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশের তদন্ত প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




আজকের সাহরীর ও ইফতারে সময় সূচী ভোলা জেলার জন্য



আরও...