অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৩রা মে ২০২৬ | ২০শে বৈশাখ ১৪৩৩


ভোলায় লঞ্চ ও ফেরীঘাট গুলোতে টয়লেট নেই


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ০৮:৫১

remove_red_eye

৪৭৩

মোঃ আমির হোসাইন : দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে লঞ্চ যোগাযোগ হলো একটা অন্যতম যোগাযোগ মাধ্যম। 
কিন্তু ভোলার লঞ্চ ঘাট ও ফেরী ঘাট গুলোতে শৌচাগারের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। 
ফলে যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ভুক্তভোগীরাই তা ভালো করেই বোঝেন, এটা কতটা বিড়ম্বনার।
ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়া লঞ্চ ঘাট, ভেদুরিয়া ফেরী ঘাট, ইলিশা জংশন লঞ্চ ঘাট, ও ফেরীঘাট, তুলালী লঞ্চ ঘাটে শৌচাগারের কোন ব্যবস্থা নেই। এ ঘাট দিয়ে দৈনিক হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে, এবং পরিবারসহ ঘুরতে গেলে এ সমস্যাগুলো আরও বেশি হয়। বিশেষ করে নারীদের জন্য তা অত্যান্ত বিপদজ্জনক কঠিন পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, তখন ঘুরাঘুরির ও ঈদে বাড়ি ফেরা লোকজনের আনন্দ নিমেষেই মাটি হয়ে যায়। ইলিশা ঘাট দিয়ে হাজার হাজার মানুষ, লক্ষীপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কক্সবাজার, ঢাকাসহ বিভিন্ন জাগায় আশা যাওয়া করে। 
যাত্রীরা লঞ্চ ফেরীর জন্য ঘাটে বসে অপেক্ষা করতে হয়, তারাই বুঝে শৌচাগার অথবা পাবলিক টয়লেট কতটা দরকার, সময় মত পায়খানা না করতে পারলে মানুষের পেটে ব্যাথা হয়, গ্যাসের সমস্যা হয়, জার ব্যাথা সেই বোঝে। 
যাত্রী মোঃ কামাল, নাসরিন আক্তার জানান, ঘাটে কোন শৌচাগার নেই, তাই আমরা অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।পল্টনে সৌচাগার থাকলেও সে জায়গায় পানির কোন ব্যবস্থা নেই, মহিলাদের কি নদী থেকে পানি উঠানো সম্ভব হয়না।   
যাত্রী, ফজলুর রহমান (লালু মাঝি) বলেন, বিভিন্ন বাস স্টেশনে যাত্রী ছাউনি আছে। কিন্তু ইলিশা জংশন ফেরী ঘাট ও লঞ্চ ঘাটে যাত্রী ছাউনি নেই। এতে বর্ষার মৌসুমে যাত্রীদের প্রচন্ড দূর্বোগ পোহাতে হয়।
 ইলাশা ঘাট ইজারাদার  হোসেন শহীদ সরোয়ারদী মাস্টার বলেন, ঘাটে কোন শৌচাগার না থাকায় জাত্রীদের অনেক বোগান্তির শিকার হয়।
এ ব্যাপারে ভোলা সদর উপজেলা র্নিবাহী অফিসার স্বজল চন্দ্র শীল বলেন, আমি খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।