ভোলা, মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ ২০২০ | ১৭ই চৈত্র ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


২৩শে মার্চ ২০২০ রাত ১০:২৭




ভোলার রাজাপুর ইউপির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে ১০ মেম্বারের অনাস্থা

ভোলা সদর




বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক :  ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বহুল আলোচিত চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খানের  বিরুদ্ধে টেন্ডার বিহীন সরকারি গাছ কেটে অর্থ আতœসাৎসহ নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে তার পরিষদের ১২ সাধারন ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের মধ্যে  ১০ জন  অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন।  সোমবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে  লিখিত আবেদনে ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরেন। এ ব্যাপারে ভোলা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান,রাজাপুর ইউপির চেয়ারম্যানের  অভিযোগের বিষয়ে কঠোর ভাবে দেখা হবে।

লিখিত আবেদনে ইউপি সদস্যরা উল্লেখ করেন, চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে  ইউনিয়নে পরিষদেও সরকারি গাছ টেন্ডার ছাড়া কেটে ২ লাখ টাকা আতœসাৎকরেন।তিনি বয়স্ক,বিধবা,স্বামী পরিত্যাক্তা,পঙ্গু ভাতাসহ  ভূয়া ভাবে মাতৃত্বকালিন ভাতা,ভিজিএফএর কার্ডও টাকার বিনিময় বিক্রি করেন। এমনকি আশ্রায়ন প্রকল্পের ঘর সরকারি ভাবে অনুমোদনের পূর্বেই বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে টাকার বিনিময় বিক্রি করেন। সর্বশেষ  জেলেদের বরাদ্ধকৃত ২৪ টন চাল বিতরনে তছরুপসহ আতœসাৎ করার অভিযোগ করেন তারা। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে,গত ৩ দিন আগে জেলেদের ওই চাল বিতরন নিয়ে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই সময় জেলেদের চাল মোটরসাইকেল যোগে বস্তায় করে পর্যন্ত এক যুবক প্রকাশ্যে নিয়ে যায়। এসব নানা অনিয়মের ঘটনায় নিরুপায় হয়ে চেয়ারম্যানের অনিয়ম স্বজনপ্রীতি,দুর্নীতি,সেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ বিধি অনুয়ায়ী ৩৯(১) (২) উপধারা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাও কাছে আবেদন জানান। রাজাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আবেদনকারীরা হচ্ছেন ,ইউপি সদস্য রুজিনা,নরাছরিন আক্তার,নাজমুন নাহার,জহিরুল ইসলাম,আ:জলিল,মো: মাসুদ রানা,মো: ইমাম হোসেন,আবদুস সালাম,মো:আবু তাহের,মো: মিলন মেম্বার। তবে এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান খান ওই অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবী করেন।