ভোলা, মঙ্গলবার, ৩১শে মার্চ ২০২০ | ১৭ই চৈত্র ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


১৯শে মার্চ ২০২০ রাত ১১:২৮




করোনা: ভোলায় চাল পেয়াজসহ নিত্য পণ্যের অস্বভাবিক মূল্য বৃদ্ধি

ভোলা সদর

অচিন্ত্য মজুমদার::  ভোলায় চাল, পিয়াজসহ নিত্য পণ্যের বাজার মূল্য হঠাৎ করেই অস্থির হয়ে উঠেছে। করোনার আতংকে গত ২দিনের ব্যবধানে পণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে শুরু করেছে। ফলে দাম আরো বৃদ্ধির আশংকায় সাধারণ মানুষ হুমড়ি খেয়ে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কিনছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ভোলার বাজারের ঈদের মতো ক্রেতাদের ভিড় পড়ে যায়। বিকেল নাগাদ সাধারণ মানুষের মধ্যে হিড়িক পড়ে যায় পণ্য কেনার।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ভোলার চকবাজার, কাচাবাজার ও খালপাড় সড়কসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা করে। অথচ বুধবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেই পেয়াজ ৩৫ থেকে ৪০ টাকা বিক্রি হয়। এক দিনের ব্যবধানে ১৪ টাকার আলু হয় ১৮ টাকা, ১৫০ টাকা কেজির আদা ২০০ টাকা, খোলা বাজারের ৮৫ টাকার কেজিপ্রতি তেল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকারও বেশী। ক্রেতারা জানান,  ১৪০০ টাকার ৫০ কেজির স্বর্ণা চাল দাম বেড়ে হয়েছে ১৯’শ থেকে দুই হাজার টাকা। ২ হাজার ৫ শত টাকার   মিনিকেট চাল ২৬’শ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ২ হাজার টাকার  আঠাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ২২ শত টাকায়। এদিকে সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যার পর পর্যন্ত নারী পুরুষ করোনার আতংকে অজানা কোন পরিস্থিতর আশংকায় চাহিদার বেশী ৩/৪ গুন করে চাল,  পেয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় করায় বাজারে বিক্রেতারা ক্রেতাদের চাহিদা পূরণ করতে হিমসিম খাচ্ছে। তবে কাঁচা বাজারের অধিকাংশ পণ্যের মূল্য ম্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান বিক্রেতারা। 

ভোলা জেলা চাল আড়ৎ মালিক সমিতির সম্পাদক ইরফানুর রহমান মিথুন মোল্লাহ জানান, করোনা আতঙ্কে লোকজন বেশি বেশি চাল কিনে মজুদ করছে। তাই চালের দাম বেড়ে গেছে। তবে তিনি দাবি করেন, তারা চালের দাম বৃদ্ধি করেনি। চাহিদা মত মিল মালিকরা চাল সরবরাহ করতে পারছেন না। উল্টো চাহিদা বেশি থাকায়  চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।

তবে বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক। বেশি দামে পণ্য বিক্রি করায় ইতোমধ্যে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে জরিমানাও করা হয়েছে বলে জানান তিনি।