অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ৪ঠা এপ্রিল ২০২৫ | ২০শে চৈত্র ১৪৩১


শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩১শে জুলাই ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:৩০

remove_red_eye

২৪৪

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (৩১ জুলাই) দেশের শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন হয়েছে। এতে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সবকটি মূল্যসূচক কমেছে। সেইসঙ্গে লেনদেনে অংশ নেওয়া যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, কমেছে তার দ্বিগুণের বেশি। এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহের দুই কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে দরপতন হলো।

এদিন শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। এতে লেনদেন শুরু হতেই ডিএসইর প্রধান সূচক দুই পয়েন্ট বেড়ে যায়। তবে, লেনদেনের সময় কয়েক মিনিট না গড়াতেই একের পর এক বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম কমতে থাকে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সূচকের ওপর।

তবে, বিমা বাদে অন্য খাতের বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ায় লেনদেনের একপর্যায়ে ডিএসইর প্রধান সূচক সাত পয়েন্ট বেড়ে যায়। কিন্তু দুপুর ১২টার পর বিমার সঙ্গে অন্যান্য খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর ঢালাও দরপতন হয়। এতে একদিকে দাম কমার তালিকা বড় হয়, অন্যদিকে সবকটি সূচক কমে দিনের লেনদেন শেষ হয়।

দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে ৫৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ১১৩টির। আর ১৭৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

এতে দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স নয় পয়েন্ট কমে ৬ হাজার ৩২৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ্ আগের দিনের তুলনায় এক পয়েন্ট কমে এক হাজার ৩৭০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় এক পয়েন্ট কমে দুই হাজার ১৫৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

সবকটি মূল্যসূচক কমার দিনে ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। দিনভর বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৬৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা। আগের দিন লেনদেন হয় ৬২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। সে হিসেবে লেনদেন বেড়েছে ৩৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে জেএমআই হসপিটাল অ্যান্ড রিকুইজিটের শেয়ার। কোম্পানিটির ৪২ কোটি ৮৪ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছ। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ফু-ওয়াং ফুডের ৩৫ কোটি ৮৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে সি পার্ল বিচ রিসোর্ট।

এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স, খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স, ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স, জনতা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন এবং মেট্রো স্পিনিং।

অপর শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই কমেছে ১৭ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৬০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৯টির এবং ৫১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ১০ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১৫ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

সুত্র জাগো