ভোলা, সোমবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ১২ই ফাল্গুন ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২০ রাত ০৯:৪৬




এবার চরফ্যাসনের কুকরীতে প্রেমের ফাঁদে ফেলে যুবতীকে গণধর্ষণ

চরফ্যাসন উপজেলা





চরফ্যাসন প্রতিনিধি : ভোলার চরফ্যাশনের আবারও গণধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে। এবার প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২২ বছর বয়সী এক যুবতীকে কুকরী মুকরী ও বুড়াগৌরঙ্গ নদীতে ট্রলারে  আটককে রেখে রাতভর গণধর্ষন করেছে।  ডাক চিৎকার শুনে টহলরত কোস্টগার্ডের একটি টিম ভিক্টিমকে উদ্ধার করে। এ সময় পাঁচ ধর্ষককে আটক করা হয়।  রবিবার সকালে তাদের ভোলার দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে থানা পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আসামীদের গ্রেফতার দেখিয়ে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করেছেন। ভিক্টিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

চরফ্যাসন দক্ষিণ আইচা থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মিলন কুমার ঘোষ জানান, চরফ্যাসনের এক যুবতী সাথে দক্ষিণ আইচা সোহেল রানা দিদারের সাথে মোবাইলে প্রেমের সর্ম্পক হয়। ওই যুবতীর মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রেমিক সোহেলের কাছে ৫ হাজার টাকা ধার চায়। ওই টাকা দেয়ার কথা বলে যুবতীকে দক্ষিন আইচা যেতে বলে। শনিবার বিকালে যুবতী দক্ষিন আইচা গেলে তাকে সোহেল একটি স্প্রিডবোটসহ ৩ জন মিলে পর্যটন এলাকা কুকরী মুকরীর নারিকেল বাগানে নিয়ে রাত ১০ টা পর্যন্ত রেখে গণধর্ষণ করে।  এর পর ওই ধর্ষিতাকে আরো ২ যুবকসহ ৫জন মিলে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে একটি ট্রলারে ভোররাত ৪ টা পর্যন্ত আটকে রেখে আবারও ধর্ষণ করে। ওই সময় ভাসমান ট্রালারে ওই যুবতী বাঁচাও বাঁচাও বলে চিৎকার করতে থাকে। এ সময় ডাক চিৎকার শুনে টহলরত কোস্টগার্ডের একটি টিম ভিক্টিমকে উদ্ধার করে।  তখন অভিযুক্ত উপজেলার দক্ষিণ আইচা ৬ নং ওয়ার্ডের খলিল মিয়ার ছেলে ইউছুফ হাসান সরদার (২০), দক্ষিণ আইচা ৫ নং ওয়ার্ডের হাকিম দালালের ছেলে সোহেল রানা দিদার (২০), চর মানিকা ৩ নং ওয়ার্ডের মোকাম্মেল সিকদারের ছেলে ওয়াসেল আহম্মদ সিকদার (২০), চরকচ্ছপিয়া ৪ নং ওয়ার্ডের ইসমাঈল ফকিরের ছেলে রিপন ফকির (২০), একই গ্রামের আবুল কাশেম হাওলাদারের ছেলে মোরশেদ হাওলাদার (৩৫) কে আটক করে। পরে রবিবার সকালে তাদের দক্ষিণ আইচা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  এ ব্যাপারে দক্ষিণ আইচা থানায় ধর্ষিতা বাদী হয়ে ৫ জনকে আসামী করে একটি মামলা করেন। উল্লেখ্য, গত প্রায় এক মাস আগে চরফ্যাসনে ঢাকা থেকে স্বামীকে খুঁজতে এসে এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হন।