অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ১লা জুন ২০২০ | ১৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭


ভোলায় সরিষার ফুলে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২শে জানুয়ারী ২০২০ সকাল ০৬:০০

remove_red_eye

৩৮




আকতারুল ইসলাম আকাশ : ভোরের বিন্দু বিন্দু শিশির তখন হলুদ ফুলের শরীরজুড়ে। সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তার মতো ঝিকমিকে শিশির কণা গড়িয়ে নামে। সকালের রোদে ঝলমল করতে থাকে মাঠভর্তি হলুদ সরিষা ফুল। যতদূর চোখ যায় কেবল হলুদ আর হলুদ। গাঁদা ফুলের ন্যায় সাজে সজ্জিত সরিষা ফসলের মাঠ বাতাসের দোল খাচ্ছে। সরিষা ক্ষেতে যেন মিশে যাচ্ছে হাসির ঝিলিক। গেল বছরের তুলনায় এ বছর ভোলা সদর উপজেলায় ফলনের স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা। উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে দিগন্ত জোড়া হলুদের সমারোহ। কৃষকের সাফল্যের হাতছানি মিশে আছে সরিষার ক্ষেতের মাঝে। এবার অভাবনীয় সাফল্যের আশায় বুক বেঁধেছে কৃষক। এ যেন তাদের আনন্দের হাসি।
পশ্চিম ইলিশার দক্ষিণ চরপাতা গ্রামের সরিষা চাষি আবু হাসান, ইউছুফ, কামাল ও ইব্রাহীম মিয়া জানান, এবার সরকারি ভাবে সার, বীজ পেয়েছি তাই সরিষার বাম্পার ফলন সম্ভবনা। এটি আমার দ্বিতীয় ফসল। এর আগে জমিতে অন্য ফসল ছিল। সরিষা মারাই করে আবার অন্য ফসল চাষ করবো।  উপজেলার পক্ষিয়া গ্রামের হালাল উদ্দিন ও রবু উদ্দিন জানান, গত বছর সরিষার আবাদ করে তেমন ফলন পাইনি কিন্তু এবার কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ও সরকারি ভাবে সার বীজ পেয়ে সরিষার আবাদ করেছি। শীত থাকার পরও সরিষা ক্ষেতের সমস্যা হয়নি। জমিতে গিয়ে সরিষার ক্ষেত দেখলে মনটা ভরে যায়। আশা করি এবার ফলন বেশি হবে। কন্দকপুর গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবার শীতে সরিষা চাষে সমস্যা হয়নি। ৩৩ শতক জমিতে সরিষার ফলন ভালো হয়েছে। ভোলা সদর উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হুমায়ূন আহমেদ বলেন, মাঠ পর্যায়ে এবার সরিষার আবাদী জমির পরিমাণ ৭শ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা বেড়ে ৮শ হেক্টর সরিষা চাষ হয়েছে। সঠিক সময়ে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করে সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়। এবার শীতের তীব্রতা থাকার কারনেও সঠিক পরামর্শের কারনে ফলন ভালো হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রবল বৃষ্টিপাত হলে ক্ষতিরআশঙ্কা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।






আজকের সাহরীর ও ইফতারে সময় সূচী ভোলা জেলার জন্য