অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২রা ফাল্গুন ১৪৩২


বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বহুমুখী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০শে জানুয়ারী ২০২৩ রাত ১১:১৫

remove_red_eye

৩৭০



বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : ‘নেইবারহুড ফার্স্ট’ নীতিকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে ভারত। প্রতিবেশীদের মধ্যেও ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ প্রত্যয়ে সবসময় বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয় ভারত সরকার। এর ফলে, বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বহুমুখী এবং একে অপরের জাতীয় উন্নয়নের সম্পূরক ভূমিকা পালন করে চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় কোভিডকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছিল বন্ধুদেশ ভারত।
এ সময়ে প্রথমবারের মতো ভারতীয় রেলওয়ের অক্সিজেন এক্সপ্রেস তরল মেডিকেল অক্সিজেন (এলএমও) রেলওয়ে কন্টেইনারে করে বাংলাদেশে পরিবহণ করেছে। বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোতে কোভিড রোগীদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সরবরাহ বাড়াতে ২০২১ সালের ২৪ জুলাই টাটানগর থেকে প্রথম অক্সিজেন এক্সপ্রেস বাংলাদেশে পাঠানো হয়। কোভিডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের লড়াইয়ের সমর্থনে ভারতীয় রেলওয়ে বাংলাদেশে ২০টি অক্সিজেন এক্সপ্রেস ট্রেন পরিচালনা করেছে।
সংশ্লিষ্ট নিভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে,২০২১ সালের ২১ জানুয়ারি কুড়ি লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার আবিষ্কৃত কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন বিনামূল্যে বাংলাদেশকে উপহার দেয় ভারত। যা তৈরি করেছে সিরাম ইনস্টিটিউট। ২৫ জানুয়ারি পৌঁছায় সিরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তির প্রথম চালানের ৫০ লাখ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। ২২ ফেব্রæয়ারি ঢাকায় পৌঁছায় সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা ২০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। ২৬ মার্চ ঢাকায় পৌঁছায় ভারতীয় উপহারের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ১২ লাখ ভ্যাকসিন। ৮ এপ্রিল ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মনোজ মুকুন্দ নরভানে বাংলাদেশের তৎকালীন সেনাবাহিনীপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদের কাছে ১ লাখ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন হস্তান্তর করেন। এতে প্রতীয়মান, ভারত সরকার বাংলাদেশের দুর্দিনে ঐতিহাসিকভাবে পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। বিশেষভাবে উল্লেখ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধেও ভারত বাংলাদেশের পাশে ছিল।