অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ৩রা জানুয়ারী ২০২৬ | ২০শে পৌষ ১৪৩২


ভোলার বিভিন্ন এলাকা লন্ডভন্ড ৭,৯২২ ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত : ৫ জনের মৃত্যু


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে অক্টোবর ২০২২ রাত ১১:৫০

remove_red_eye

৩৪১





বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক:  ঘূর্ণিঝড় সি-ত্রাংয়ের আঘাতে উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার বিভিন্ন জনপদ লন্ডন ভন্ড হয়ে গেছে। অসংখ্য ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। উপরে পড়েছে বহু গাছপালা। ক্ষতি হয়ে পুকুরের মাছসহ জমির ফসল। প্রাথমিক ভাবে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে সবচাইতে ক্ষতি গ্রস্ত ভোলার দুর্গম ঢাল চরের বিধ্বস্ত পরিবার গুলো এখনো চরম বিপাকে রয়েছে। অনেক সর্র্ম্পূন বিধ্বস্ত পরিবারের মাথা গোজার ঠাই হারিয়ে তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এসব পরিবারের জরুরী পুনবার্সন প্রয়োজন। এদিকে ঘুর্ণিঝড়ের আঘাতে ভোলা জেলায় স্থানীয়দের মতে, কয়েক কোটি টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জেলা প্রশাসনের আনুমানিক পরিসংখ্যানে  ৭ হাজার ৯২২টি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রশাসন বলছে বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের কাজ চলছে।  এদিকে সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ভোলা সদর, দৌলতখান, চরফ্যাসন ও লালমোহন উপজেলায় গাছ চাপা পড়ে ও বিধ্বস্ত গাছের ঢালার সাথে আঘাত পেয়ে ৩ জন, পানিতে ডুবে একজন এবং ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃট হয়ে একজনসহ এ পর্যন্ত ২ দিন মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছেন। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভোলায় ঝড়ের আঘাতে দৌলতখান উপজেলায় আয়শা বেগম এবং ভোলা সদর উপজেলায় মফিজুল ইসলাম এই ২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। নিহত দুই জনের দাফনের জন্য তাদের পরিবারকে ২০ হাজার করে টাকা দেয়া হয়েছে। এদিকে  মঙ্গলবার ভোর থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ভোলা-বরিশাল-ঢাকা  নৌরুটে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। তবে ইলিশা ফেরিঘাটের পল্টুন বিধ্বস্ত হওয়ায় ভোলা-ল²ীপুর নৌরুটে বিকাল পর্যন্ত ফেরির লোড আনলোড ও  চলাচল বন্ধ রয়েছে। অপর দিকে চরফ্যাসনের কুকিরি মুকরি,মনপুরাসহ বিভিন্ন এলাকায় বন বিভাগের কেওরা গাছের নারসারি ও বন বিধ্বস্ত হয়েছে।  এতে অন্তত ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছ বলে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বন কর্মকর্তা এস এম কায়চার জানিয়েছেন। এদিকে জেলায় ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসক ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।

 ভোলা জেলা প্রমাসনের সরকারি প্রাথমিক এক ক্ষয়ক্ষতির  পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, দুর্গত মানুষের আনুমানিক সংখ্যা ২ লক্ষ ১১ হাজার ৬৭২ জন।  আনুমানিনক বিধ্বস্ত ঘর বাড়ি ৭ হাজার ৯২২টি। এর মধ্যে বিধ্বস্ত সম্পূর্ন ২ হাজার ২৮৩ টি ও আংশিক ৫ হাজার ৬৩৯টি।  মৃত্যুর সংখ্যা ২ জন।
 এদিকে স্থানীয় বিভিন্ন সুত্র জানায়, ঝড়ের সময় চরফ্যাসন উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বাজার এলাকায় মনির স্বর্ণকার (৪০) নামে এক ব্যক্তি মটর সাইকেল যোগে যাওয়ার সময় রাস্তায় ঝড়ে পড়ে থাকা গাছের ঢালার সাথে আঘাত পেয়ে  নিহত হয়েছেন। দৌলতখান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঘরের উপর গাছ পড়ে খাদিজা বেগম নামে ৮০ বছরের এক বৃদ্ধা এবং ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের পাকার মাথা এলাকায় বসত ঘরের উপর গাছ চাপা পড়ে মফিজুল ইসলাম (৬৫) নিহত হয়েছেন। এসম মফিজুলের ছেলে, ছেলের স্ত্রী এবং  নাতি আহত হয়েছে। অপর দিকে ভোর রাতের দিকে লালমোহনের লডহাডিঞ্জ ইউনিয়নে জোয়ারের পানিতে বাড়িঘর তলিয়ে গেলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার সময় আয়শা বেগম (২৫) নামের এক নারী পানিতে ডুবে নিহত হয়েছেন। অপরদিকে মঙ্গলবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার আলীনগর এলাকায় ঝড়ে রাস্তার উপর ভেঙ্গে পড়া গাছ কেটে সরাতে গিয়ে  বিদ্যুৎ স্পিষ্ট হয়ে নাছির নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
লালমোহন থেকে মো. রুহুল আমিন জানান \ ঘূর্ণিঝড় সিত্রাঙের প্রভাবে বৃদ্ধি পাওয়া পানির ভয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে গিয়ে পানিতে ডুবেই মোসা. আয়েশা (৩০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার রাতে উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের ফাতেমাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত গৃহবধূ আয়েশা ওই এলাকার ফরিদ উদ্দিনের স্ত্রী।
বিষয়টি নিশ্চিত করে লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিয়া বলেন, আয়েশার ঘরের চারদিকে পানি উঠলে সে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য পাশে থাকা দাদার বাড়ি উদ্দেশ্যে ঘর থেকে বের হয়। তবে রাস্তাও পানিতে ডুবে থাকায় পথ হারিয়ে পাশের একটি পুকুরে পড়ে যায় আয়েশা।
লালমোহন থানার এসআই শক্তিপদ মৃধা জানান, রাতে পানির কারণে রাস্তা হারিয়ে ওই মহিলা পুকুরে পড়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে পুকুরে তার জুতা ভাসতে দেখে মা রাবেয়া বেগম। পরে তিনি চিৎকার দিলে স্থানীয়রা এসে আয়েশার মরদেহ উদ্ধার করে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের বগিরচর এলাকার তেঁতুলিয়া নদীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন এলাকা থেকে অজ্ঞাতনামা এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এব্যাপারে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়া উদ্ধার করা অজ্ঞাত লাশের ময়না তদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপর দিকে  ভোলার লালমোহনে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের তাÐবে ৩ শতাধিক ঘর-বাড়ি পুরোপুরি  বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরো সাতশত বাড়ি-ঘর। সোমবার রাতে উপজেলার বিভিন্নস্থানে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং। এতে করে গাছপালা উপড়ে গিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বাড়ি-ঘরের। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ ঘোষ।
তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের তাÐবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে লর্ডহার্ডিঞ্জ, ধলীগৌরনগর, ফরাজগঞ্জ ও রমাগঞ্জ ইউনিয়নে। যেখানে প্রচÐ বাতাসে গাছ উপড়ে পড়ে বিধ্বস্ত হয়েছে ঘর-বাড়ি। জেলায় এসব ক্ষতিগ্রস্তদের তাৎক্ষণিক প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দুর্গোতদের জন্য আপাতত ১০ টন চাল বরাদ্দ রয়েছে।
অন্যদিকে, বিদ্যুতের তারের ওপর গাছ উপড়ে পড়ে উপজেলাজুড়ে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে করে চরম দুর্ভোগে রয়েছে লালমোহনের মানুষজন। অনেকের মোবাইল ফোনের চার্জ শেষ হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক সমস্যা তীব্র আকাড় ধারণ করেছে লালমোহনে।
এব্যাপারে লালমোহন পল্লী বিদ্যুতের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এ.কে.এম. ফজলুল হক বলেন, ঝড়ের তাÐবে উপজেলার বিভিন্নস্থানে বিদ্যুতের তার ছিড়ে গেছে। যার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। সকাল থেকেই আমাদের কর্মীরা বিদ্যুতের লাইন মেরামতের জন্য কাজ করছে। আশা করছি শিগগিরই পৌরসভার  বিদ্যুৎ সংযোগ চালু করা সম্ভব হবে। তবে পৌরসভার বাহিরে বিদ্যুৎ চালু করতে সময় লাগতে পারে।

দৌলতখান সংবাদদাতা জানান,ভোলার দৌলতখানে চিত্রাংসের বিরুপ প্রভাবে হতাহতসহ বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও দোকানপাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সংবাদ পাওয়া গেছে।
উপজেলার ৯টি ইউনিয়নসহ দৌলতখান পৌরসভা এলাকায় ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। ঘূর্ণিঝড়ের বিরুপ প্রভাবে নিরাপদ আশ্রয়স্থলে যাওয়ার পথে দাদি নাতিসহ ৩ জন গাছ চাপায় আহত হয়েছে। তাদের দ্রæত দৌলতখান হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার দাদি খতেজা খাতুহনকে মৃত ঘোষণা করে। খতেজা খাতুন দৌলতখান বাজারের হাজি জামাল মেকারের মা। আহত নাতি আফনান দৌলতখান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। আফনান দৌলতখান কলেজ রোডের জয়নাল হাজারির একমাত্র ছেলে। হাজি জামালের ছেলে যোবায়ের হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের ব্যাপক  তান্ডবে গাছগাছালি উপড়ে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুটি ভেঙে গেছে। বিছিন্ন হয়ে যায় গোটা এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ। ভোলা- বাংলাবাজার সড়কে উপড়ে পড়া গাছের কারণে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উপজেলার সৈয়দপুর, ভবানীপুর, চরখলিফা, চরপাতাসহ ৯টি ইউনিয়নে শতাধিক ঘরবাড়ি গাছপালা চাপায় বিধ্বস্ত হয়। ঘোষেরহাটসহ কয়েকটি বাজারের দোকানপাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয। এসময় গাছপালা চাপায় আহত হয়ে  ভবানীপুরের আবু জাফর, আবদুর রহিম, চরখলিফার সফিজল, মো: ইব্রাহিম হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।




 ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার বিচ্ছিন্ন সাগর মোহনার ঢাল চর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান জানান, তার এলাকায় ঝড়ে শতাধিক ঘর বাড়ি সম্পূর্ন বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও প্রায় ৫ শত কাচাপাকা ঘর বাড়ি আংশিক ক্ষতি হয়েছে। একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রও বিধ্বস্ত হয়েছে। ভেসে সকল পুকুরের মাছ। সোমবার রাতে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে চরফ্যাসন ইউএনও সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন।  অপর দিকে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ এর লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে করে ভোলা অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ বিহীন অবস্থায় রয়েছে। এেেত দুর্বল হয়ে পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেট।

এছাড়া ঝড়ের আঘাতে উপকূলীয় এলাকায়  মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে পারেনি জেলা প্রশাসন। তারা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমান তালিক  নিরুপন করা হচ্ছে। জেলা কন্ট্রোল রুম সুত্র জানায় সোমবার রাতে ৭৪৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে ৭৪ হাজার ৪৮২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।  এ ছাড়া বেড়িবাধ, মুজিব কিল্লা ও আশ্রয় কেন্দ্রে ২২ হাজার ৩৫১ টি গবাদি পশু আশ্রয় নিয়েছিল।  জেলা কৃষি অফিস জানায় , প্রাথমিকভাবে ৩৬ হাজার ৫০০ হেক্টর জমির ধান, ১৫০ হেক্টর জমির সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস জানায়, জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জেলায় প্রায় ৬ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে।
জেলা প্রশাসক মোঃ তৌফিক ই-লাহী চৌধুরী জানান, দুর্গত মানুষের জন্য ৮৪ মেট্রিকটন চাল এবং  নগদ ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ইতো মধ্যেই তা ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির উদ্যেগে সদর উপজেলার ধনীয়া ইউনিয়নের গুলি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ তুলে দেন জেলা প্রশাসক মো: তৌফিক-ই-লাহী চৌধুরী। এসব ত্রাণের মধ্যে চিড়া, চিনি, বিস্কিট, খাবার স্যালাইন ও বিশুদ্ধ পানি রয়েছে।
এসময় জেলা প্রশাসক বলেন, ঘূর্ণিঝড় ধেয়ে আসার খবরের পরপরই আমরা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করি। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি মানুষের পাশে থাকতে। ঝড়ের রাতে আমাদের আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে ৭৪ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলো। এখন আমাদের ঝড় পরবর্তি কার্যক্রম চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণ সামগ্রী রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন জেলা প্রশাসক। ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা পুলিশ সুপার মো: সাইফুল ইসলাম, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, জেলা রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সফিকুল ইসলাম, ভোলা প্রেসক্লাব সভাপতি এম. হাবিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এমদাত হোসেন কবির প্রমূখ।










আরও...