অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৬ই জুলাই ২০২৬ | ২২শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় পুলিশ সুপারের সংবাদ সম্মেলন : পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএনপি পুলিশের উপর হামলা করে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১শে জুলাই ২০২২ রাত ১১:৫৩

remove_red_eye

৪২২



বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার শান্তিপূর্ণ পরিবশে নষ্ট করতে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএনপি পুলিশের উপর হামলা চালিয়েছে। জেলা বিশেষ শাখার পুলিশ কনস্টবল (ওয়াচার কনস্টবল) মো. রাব্বী সরদারের উপর গুলি ছুড়েছে। পুলিশ সদস্যদের হত্যার উদ্দেশ্যে ও বিএনপি অফিসের নিকটবর্তী অবস্থিত কালিনাথ বাজারের পুলিশ ফাঁড়ি পুড়িয়ে দিতে চেয়েছিল। রবিবার বিকালে ভোলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম তার নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। এ সময় পুলিশ সুপার দাবি করেন, পুলিশের গুলিতে নয়, বিএনপির ছোড়া ইটের আঘাতেই মারা গেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আব্দুর রহিম। পুলিশ সুপার আরও বলেন, ভোলা জেলা বিএনপি বিক্ষোভ মিছিলের কোনো অনুমতি নেয়নি। তাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ বাধা দেয়নি। বিএনপি তাদের দলীয় কার্যালয়ে শান্তিপূর্ণভাবেই সমাবেশ করেছে। কিন্তু সমাবেশ শেষে রাজনৈতিক হিন উদ্দেশ্যে বিশেষ পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষে বিএনপি পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে রাস্তায় নেমে পুলিশের উপর হামলা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশকে লক্ষ করে গুলি বর্ষণও করে বিএনপির লোকজন। ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ ব্যাপক ভাংচুর করেছে। এতে ১০ পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বিএনপি কর্মী নিহত হওয়া প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার আরও জানান, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে প্রকৃত সত্য জানা যাবে। তবে ডাক্তারের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, মাথায় আঘাত জনিত কারণে যুবদল কর্মী আব্দুর রহিম নিহত হয়েছেন। পুলিশের ধারণা বিএনপি কর্মীদের নিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে আব্দুর রহিম নিহত হয়ে থাকতে পারেন। কারণ নিহত আব্দুর রহিমের মুখমন্ডলে যে দু’চারটি শর্টগানের গুলির স্প্রিন্টারে চিহ্ন রয়েছে তাতে কেউ মারা কথা নয়। পুলিশ সুপার জানার, পুলিশ প্রথমে উশৃঙ্খল নেতাকর্মীদেরকে শান্ত করার জন্য লাঠিচার্জ করে। পরবর্তীতে বিএনপির নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে পুলিশের ওপর হামলা চালালে পুলিশও আত্মরক্ষার্থে টিয়ারসেল ও শটগানের গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম।