অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ১১ই মে ২০২৬ | ২৮শে বৈশাখ ১৪৩৩


বাইক খুঁজতে ১৫ বছর


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২২ রাত ০৯:৩৩

remove_red_eye

৫০৭

নারায়নাপ্পা শ্রীনিবাসনের কাছে কালো রঙের রয়েল এনফিল্ডটি মোটরসাইকেলের চেয়েও অনেক বেশি কিছু ছিল। আর এ কারণে ৯০ দশকে হারিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি ১৫ বছর ধরে খুঁজেছে তার ছেলে অরুন। 

৭৫ বছরের শ্রীনিবাসন বিবিসিকে বলেন, ‘ওই সময় বুলেট বাইকের দাম ছিল অনেক বেশি। এটা কেনার পুরো অর্থটাই ব্যাংক থেকে ঋণ হিসেবে পেয়েছিলাম।’

 

শ্রীনিবাসনের মোটরকাইকেলটি ১৯৭০ সালের মডেলের। এটি কিনতে খরচ হয়েছিল ৬ হাজার ৪০০ রুপি। বর্তমানে এই মডেলের বাইকটি কিনতে খরচ হবে প্রায় তিন লাখ রুপি।

মুক্তবাজার অর্থনীতিতে প্রবেশের আগে ভারতে রয়েল এনফিল্ডের মতো মোটরসাইকেলের দাম ছিল অনেক বেশি। ডগ ডগ শব্দের জন্য বিখ্যাত এই ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল কেনার জন্য শ্রীনিবাসনের মতো ক্রেতাদের সুযোগ ছিল খুবই সীমিত।

শ্রীনিবাসন যখন বাইকটি কিনেছিলেন তখন তার বয়স ছিল ২৪। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তার কাছে ছিল এটি। কৃষকদের জন্য ব্যাঙ্ক ঋণের সুবিধা প্রদানকারী কৃষি কর্মকর্তা ছিলেন শ্রীনিবাসন। দক্ষিণের রাজ্য কর্ণাটকে ছিল কর্মস্থল। যেখানেই তার বদলী হতো সেখানেই তিনি নিয়ে যেতেন বাইকটি।

 

শ্রীনিবাসনের ছেলে অরুন বলেন, ‘আমি ও আমার বোন এই বাইকটি ওপর বড় হয়েছি। এটা পরিবারের প্রথম গাড়ি।’

১৯৯৫ সালে কর্ণাটক থেকে উত্তর প্রদেশের লক্ষ্ণৌতে বদলী হন শ্রীনিবাসন। ওই সময় বাইকটি সঙ্গে নিতে পারেননি তিনি। তাই তিনি এটি তার এক বন্ধুর কাছে বিক্রি করে দেন। তবে শর্ত ছিল- যখন বাইকটি আর ওই বন্ধুর প্রয়োজন হবে না তখন এটি শ্রীনিবাসনের কাছেই বিক্রি করতে হবে। কিন্তু পরের বছর তার বন্ধুর বাড়ি থেকে বাইকটি চুরি হয়ে যায়। শ্রীনিবাসন অবিলম্বে একটি পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন কিন্তু বাইকটি আর পাওয়া যায়নি।

কয়েক বছর পর শ্রীনিবাসন পুনরায় বদলী হয়ে কর্ণাটকে ফিরে আসেন। কিন্তু তিনি প্রায় সবসময় হারিয়ে যাওয়া বাইকটি নিয়ে নস্টালজিয়ায় ভুগতেন। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় রয়েল এনফিল্ডের কোনো বাইক দেখলেই তিনি সাইলেন্সারের শব্দ শোনার চেষ্টা করতেন এবং বোঝার চেষ্টা করতেন এটি তার হারিয়ে যাওয়া বাইক কিনা। বাবার মানসিক অবস্থা দেখে শেষ পর্যন্ত মাঠে নামেন অরুন। 

 

বাইকটি সম্পর্কে তথ্য পেতে বেঙ্গালুরুর গ্যারেজগুলোতে খোঁজ লাগান অরুন। কিন্তু সেখান থেকে তিনি কোনো তথ্য পাননি। পরবর্তীতে রাজ্যের পরিবহন অফিস ডিজিটাল হলে তিনি সেখানে যোগাযোগ করেন।  ২০২১ সালের গোড়ার দিকে, গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর বীমার বিবরণ ব্যবহার করে অরুন বাইকটির খোঁজ পান। কয়েক মাস পরিবহণ অফিসে যাওয়ার পর, তিনি দেখতে পান বাইকটি এখন মহিশুর জেলার এক কৃষকের মালিকানাধীন। ওই কৃষকের কাছ থেকে তিনি জানতে পারলেন যে এটি এমন একজন ডিলারের কাছ থেকে বাইকটি কিনেছিলেন যিনি নিলামে ওঠা চুরি হওয়া বাইক কিনে থাকেন। ওই ডিলার বাইকটি কিনেছিলেন মাত্র ১ হাজার ৮০০ রুপিতে। কৃষকের কাছে এটি বিক্রি করেছিলেন ৪৫ হাজার রুপিতে।

বাইকটির ব্যাপারে পরিবারের আবেগের বিষয়টি কৃষকে জানান অরুন। প্রথমে অবশ্য ওই কৃষক বাইকটি বিক্রি করতে রাজি হয়নি। পরে এক লাখ রুপিতে তিনি অরুনের কাছে বাইকটি বিক্রি করেন। ১৫ বছর পর নিজের হারিয়ে যাওয়া বাইকটি পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন শ্রীনিবাসন।





ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

ভোলার ধনিয়া কিশোরী ক্লাব গঠন ও মতবিনিময় সভা

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উচ্চশিক্ষার রূপান্তরে ইউজিসির কর্মশালা আগামীকাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী, রাজনৈতিক পরিচয় নয়: প্রধানমন্ত্রী

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে দেখতে পুলিশের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

কন্যাশিশুদের বিকাশে রাষ্ট্রকে সহায়ক শক্তি হতে হবে: ডা. জুবাইদা

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ভিন্নমতের ঊর্ধ্বে উঠে পুলিশ সদস্যদের একযোগে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো :  ধর্মমন্ত্রী

সংখ্যালঘু নির্যাতন সহ্য করবো না, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবো : ধর্মমন্ত্রী

হাম-রুবেলা টিকাদানে রাসিকের শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

হাম-রুবেলা টিকাদানে রাসিকের শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন

আরও...