অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৬ই এপ্রিল ২০২৫ | ২৩শে চৈত্র ১৪৩১


ভোলায় সাড়ে ৫ হাজারের বেশি সোলার বিতরণ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯শে আগস্ট ২০১৯ রাত ১০:১৫

remove_red_eye

৭৪৯

 

হাসনাইন আহমেদ মুন্না : ভোলার ৭ উপজেলায় প্রায় ১৮ কোটি টাকা ব্যায়ে সাড়ে ৫ হাজারের বেশি সোলার প্যানেল বিতরণ করা হয়েছে। গত অর্থবছর (২০১৮-১৯) সম্পুর্ণ বিনামূল্যে টিআর ও কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৬২০ টি সোলার প্রদাণ করা হয়েছে। সমাজের অসহায় ও দরিদ্র পরিবার ছাড়াও স্কুল, কলেজ, রাস্তা-ঘাট, মসজিদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাঝে এসব সোলার বিতরণ করা হয়। প্রত্যেকটি সোলারের মূল্য সর্বোচ্চ প্রায় ২ লাখ টাকা থেকে সর্বনি¤œ ১১ হাজার ৯০০ টাকার মধ্যে। এতে করে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে অন্যদিকে সৌর বিদ্যুতের ফলে বিদ্যুৎ চাহিদা মিটছে। আলোকিত হয়েছে পিছিয়ে পড়া গ্রামীণ এলাকার প্রত্যন্ত জনপদ। পল্লী অঞ্চলে থেকেও বিদ্যুতের সুফলে শহরের সুবিধা ভোগ করছে মানুষ।
এ ব্যাপারে ভোলা-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মুকুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যূৎ, এই ¯েøাগানকে সামনে রেখে জেলায় মানুষের মাঝে সরকারিভাবে সোলার দেওয়া হয়েছে। আমাদের পল্লী বিদ্যূৎও শতভাগ বিদ্যূতায়নের লক্ষ্যে নিরলশ কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় পল্লী বিদ্যূৎ সংযোগ দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা, সেইসব এলাকায় সোলার প্যানেল বিদ্যূৎের অভাব পূরণ করছে। মোবাইল, কম্পিউটার, টিভি, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যদি প্রত্যেক ঘরে ঘরে বিদ্যূাতায়নের উদ্যোগ না নিতেন তবে আজো অন্ধকারে থাকত দেশের প্রত্যন্ত এলাকা।
জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা এবি এম আকরাম হোসেন জানান, ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন শাখা এসব সোলার বিতরণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে ৭৫১টি, বোরহানউদ্দিনে ৯৭৬, দৌলতখানে ১ হাজার ৯৪, লালমোহনে ৯৩০, তজুমোদ্দিনে ১ হাজার ১১৬, চরফ্যাশনে ৫৭৪ ও মনপুরায় ১২৯টি।
সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: ইউনুছ মিয়া মনে করেন, সোলার প্যানেল বিতরণের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যেগকে শতভাগ বাস্তবায়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সমাজের অসহায়-দরিদ্র বহু পরিবার যাদের বিদ্যূৎ লাইন স্থাপনের সামর্থ নেই। তারা বিনামূল্যে সোলার পেয়ে আলোকিত জীবন-যাপন করছেন। এছাড়া চরাঞ্চলে সোলার মানুষের মাঝে অর্শিবাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। টিআর-কাবিখার মাধ্যমে সোলার বিতরণ করায় একদিকে যেমন অর্থের অপচয় রোধ হচ্ছে অন্যদিকে বিদ্যূতের ঘাটতি পূরণ হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সদরের বাপ্তা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব বলেন, বিগত সময়ে যে সমস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ছিলোনা সেসব এলাকায় আমরা সোলার বিতরণ করেছি। এছাড়া মসজিদ-মন্দিরে সোলার দেওয়া হয়েছে। আর এবছর তার ইউনিয়নের সমস্ত রাস্তাঘাটে সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে। এতে করে অন্ধকারের অভিশাপ থেকে মুক্ত হয়ে জনগণের চলাচল সহজ হয়েছে। তাই টিআর ও কাবিখা’র বরাদ্দ দিয়ে সোলার প্যানেল বিতরণকে একটি সময়উপযোগী স্বিদ্ধান্ত বলে মনে করেন তিনি।