অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২৫শে জুলাই ২০২১ | ১০ই শ্রাবণ ১৪২৮


লালমোহনে কোরবানির পশু বিক্রি হবে অনলাইনে


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২রা জুলাই ২০২১ রাত ০৯:০৩

remove_red_eye

১৬৭

লালমোহন প্রতিনিধি::  আসন্ন পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে গরু, ছাগল প্রস্তুত করছেন ভোলার লালমোহনের খামারিরা। তবে চলমান লকডাউনের কারণে ন্যায্য দাম নিয়ে শঙ্কায় উপজেলার প্রায় ২১৮টি ছোট-বড় খামারি। তারা বলছেন, গত বছরও কোরবানিতে গরুর দামে ধস নামে। এবার সঠিক দামের আশা থাকলেও করোনা আর লকডাউন বিপত্তি হয়ে দাঁড়াতে পারে।


তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস বলছে, করোনার প্রভাব থাকলেও অনলাইনের মাধ্যমে গবাদি পশু বিক্রি করা হবে।


লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যানুযায়ী, উপজেলায় ছোট-বড় ও ব্যক্তি পর্যায়ে ক্ষুদ্র খামার রয়েছে ২১৮টি। এসব খামারে আসন্ন কোরবানির ঈদের জন্য প্রস্তুতকৃত গরু রয়েছে ১০ হাজার ৯৯০টি, মহিষ ৪০১টি, ছাগল ৩ হাজার ৪২০টি ও ভেড়া রয়েছে ২০৫ টি। এ উপজেলা সরকারিভাবে কোনও খামার বা গরু মোটাতাজাকরণ প্রকল্প নেই। তবে কোরবানিকে সামনে রেখে গ্রামের অনেক মানুষ লাভের আশায় গরু-ছাগল লালন-পালন করে থাকেন।


খামারীরা জানান, গরু মোটা তাজাকরণে তারা কোনও ক্ষতিকারক ইঞ্জেকশন ব্যবহার করছেন না। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের নির্দেশনানুযায়ী গরুর পরিচর্যা করেন। সম্পূর্ণ দেশী খাবার যেমন, কাঁচা ঘাস ও দানাদার খাবারের মাধ্যমেই গরু মোটাতাজা করা হয়।


উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দুরে পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নে হারুন বেপারীর খামারে গরুর সংখ্যা ৪০টি। কোরবানি হাটের জন্য ১২/১৩ গরু প্রস্তুত রেখেছেন বলে জানান তিনি। এরমধ্যে সর্বোচ্চ দেড় লক্ষ টাকা দামে গরু রয়েছে বলেও জানান এ খামারী। এছাড়াও এ ইউনিয়নে ছোট বড় খামারীদের প্রায় ৫শ গরু রয়েছে।


উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের খামারী আবদুর রহমানের ১২টি গরু রয়েছে। কোরবানিতে ৫টি গরু বিক্রি করবে বলে জানায় সে। লালমোহন সদর ইউনিয়নের নুর ইসলামের রয়েছে ৩০টি গরু। এগুলোর এক একটি গরুর দাম প্রায় দেড় লক্ষ টাকা হাঁকানোর ভাবনা তাদের।


তবে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে কোনও সহযোগিতা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাদের। অফিস থেকে কোন প্রণোদনাও পাননি তারা। বলেন, ফোন না করলে অফিসের কেউ এসে খবরও নেয়না।


লালমোহন সদর ইউনিয়নের রিয়াজ, আকবরসহ আরও কয়েকজনের প্রায় ১০টি করে গরু রয়েছে। তবে লকডাউনের জন্য বাজার বন্ধ থাকায় হতাশ তারা।


উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ আহসান উল্লাহ মানিক জানান, করোনা আর লকডাউনের কথা মাথায় রেখে আমাদের “অনলাইন পশুর হাট লালমোহন ভোলা” নামে পশুর হাট আছে, সেখান থেকেও পশু বিক্রি হবে।