অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৯শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন দীপু মনি


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯শে আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০১

remove_red_eye

৩৪

ফ্যাসিস্ট সরকারের সাবেক সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি তার স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তিনি প্যারোলে মুক্ত থাকবেন বলে তার আইনজীবী নিশ্চিত করেছেন।

দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল ইসলাম বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক ১২ ঘণ্টার সময় মঞ্জুর করেছেন। আগামীকাল ভোরে তিনি কারাগার থেকে বের হয়ে স্বামীর জানাজায় অংশ নেবেন এবং দাফন শেষে পুনরায় কারাগারে ফিরবেন।’

এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে মা দীপু মনির সঙ্গে দেখা করতে যান তার মেয়ে তানি দীপাবলী নেওয়াজ। সেখানে প্যারোলে মুক্তির প্রক্রিয়া ও সময়ের বিষয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়।

মুন্সীগঞ্জ কারাগারের জেল সুপার মো. জান্নাত উল ফারহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘প্যারোলে মুক্তির বিষয়ে আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তার মেয়ে কারাগারে এসেছিলেন।’

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন। ২০১৯ সালে স্ট্রোক করার পর থেকেই তার শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল।

পরিবারের পক্ষ থেকে দীপু মনির বড় ভাই জে আর ওয়াদুদ টিপু জানান, তৌফিক নেওয়াজ একজন বিশিষ্ট আইনজীবী হওয়ার পাশাপাশি ধ্রুপদি সংগীতেরও অনুরাগী ছিলেন।

বুধবার দুপুরের পর তার জানাজা ও দাফনের স্থান চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে গ্রেফতার হন ডা. দীপু মনি।

বর্তমানে তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও মুন্সীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক মামলা রয়েছে। যদিও কয়েকটি মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন, তবে অন্যান্য মামলায় গ্রেফতার থাকায় তিনি মুক্তি পাননি।

চলতি বছরের গত ২৭ মে অসুস্থ তৌফিক নেওয়াজকে হুইলচেয়ারে করে আদালতে নিয়ে এসেছিলেন স্বজনেরা, যেন তিনি কারাবন্দি স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। সেটিই ছিল এই দম্পতির শেষ সাক্ষাৎ।

সে সময় তানি দীপাবলী বাবার অসুস্থতার কথা জানিয়ে দীপু মনির সাত দিনের প্যারোল আবেদন করলেও তখন তা মঞ্জুর করা হয়নি।

 

 

সুত্র : ঢাকা মেইল