অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২৪শে জুলাই ২০২১ | ৯ই শ্রাবণ ১৪২৮


‘মুখে সেবনযোগ্য’ করোনার ওষুধ আবিষ্কারে ৩০০ কোটি ডলার অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ই জুন ২০২১ রাত ১০:০৮

remove_red_eye

৪০

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক : বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ইতিমধ্যে করোনার টিকা আবিষ্কার করেছে। এবার করোনাভাইরাসের চিকিৎসায় ‘মুখে সেবনযোগ্য’ ওষুধ আবিষ্কারের জন্য ৩০০ কোটি ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দেশটির স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ‘হেলথ অ্যান্ড হিউম্যান সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্ট’ ওষুধ আবিষ্কারে গবেষণা ও উন্নয়নের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই ঘোষণা দেয়।

 

বাইডেনের প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফাউচি জানান, মুখে সেবন করা যায় এমন ওষুধের গবেষণা ও পরীক্ষায় ‘ক্লিনিকাল ট্রায়াল’ এর জন্য এই অর্থ ব্যয় হবে।

‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস’ (এনআইএআইডি) এর পরিচালক ফাউচি বলেন “কোভিড- ১৯ এর গুরুতর অসুস্থতা এবং মৃত্যু ঠেকাতে সক্ষম হবে ভাইরাস প্রতিরোধী নতুন ওষুধ।

“বিশেষ করে মুখে খাওয়ার ওষুধ, যা রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে ঘরেই নেওয়া যাবে। মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যা জীবন বাঁচানোর শক্তিশালী এক অস্ত্র হয়ে উঠবে।”

তিনি জানান, বিদ্যাপীঠ এব্ং ওষুধ শিল্পের প্রধান বিজ্ঞানীসহ বিভিন্ন অঙ্গনের সমন্বয়ে ‘আমেরিকান রেসকিউ প্ল্যান’ থেকে এই অর্থের মাধ্যমে ‘অ্যান্টিভাইরাল প্রোগ্রাম ফর প্যানডেমিকস’ নামে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হবে। এর মাধ্যমে চিকিৎসাখাতে উদ্ভাবনের উৎসাহ তৈরি হবে এবং কোভিড- ১৯ এর টিকা তৈরির মতোই ব্যতিক্রমী সফলতা পাওয়া যাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সংক্রামক রোগ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান এই বিশেষজ্ঞ।

এই পরিকল্পনায় ৩০ কোটি ডলার গবেষণার কাজে এবং গবেষণাগারের জন্য রাখা হয়েছে। প্রায় ১০০ কোটি ডলার থাকবে ‘প্রিক্লিনিক্যাল’ এবং ‘ক্লিনিক্যাল’ পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ব্যবহারের জন্য।

ওষুধ তৈরি ও উন্নয়নে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস (এনআইএআইডি) এবং বায়োমেডিকেল অ্যাডভান্সড রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিএআরডিএ) মাধ্যেম খরচ হবে ৭০ কোটি ডলার। এছাড়া ১২০ কোটি ডলার ব্যয় হবে ওষুধ উদ্ভাবনে ‘অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ডিসকভারি (এভিআইডিডি) সেন্টার্স ফর প্যাথোজেনস অব প্যানডেমিক কনসার্ন’ নামে সমন্বিত একটি গ্রুপ তৈরির জন্য। সৃষ্টিশীল নতুন গবেষণা ও উদ্ভাবনে কাজ করবে এই গ্রুপ।