অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৭ই এপ্রিল ২০২১ | ৪ঠা বৈশাখ ১৪২৮


মনপুরায় মাদ্রাসার ছাত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিতে হামলা


মনপুরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৬ই এপ্রিল ২০২১ রাত ০৯:৫৭

remove_red_eye

৭৩

পিতা মাতাসহ আহত-৫
মনপুরা প্রতিনিধি \ ভোলার মনপুরায় বদিউজ্জামান দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিতে হানা দেয় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এই সময় পিতা-মাতাসহ পরিবারের সদস্যরা বাঁধা দেওয়ায় সংঘবদ্ধ চক্রটি বেধড়ক মারধর করে।
এতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রীর পিতা-মাতাসহ পরিবারের ৫ সদস্য গুরুত্বর আহত হয়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা আসলে সংঘবদ্ধ চক্রটি পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে মনপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার সকালে ওই মাদ্রাসার ছাত্রী বাদী হয়ে মনপুরা থানায় অভিযোগ দেন। এর আগে সোববার রাতে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের সেলিম মাঝির বাড়ির সামনে এই ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে রাতেই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ শামীম মিঞা ও ওসি সাখাওয়াত হোসেন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ওই মাদ্রাসা ছাত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দেখতে যায়।
হাসপাতালে ভর্তিকৃত আহতরা হলেন, বদিউজ্জামান দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছাত্রী জেসমিন, মাদ্রাসা ছাত্রীর মাতা ইয়াছমিন বেগম, পিতা সেলিম মাঝি ও ভাই রাজিব ও সিয়াম।
হাসপাতালে ভর্তি মাদ্রাসার ছাত্রী জেসমিন জানান,  শাহীন ও শামীম নামে দুইজন বখাটে প্রত্যেকদিন বাড়ির সামনে এসে উত্ত্যক্ত করতো। সোমবার সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বাহির আসার পর শাহীন ও শামীম তাকে জোর করে তুলে নিতে চেষ্টা করে। এই সময় চিৎকার দিলে আমার বাবা-মা ও ভাইরা ঘর থেকে বের হয় এসে বাঁধা দেয়। এই সময় শাহীন ও শামীমের সহযোগি মনা, জাহাঙ্গীর, কালাম, ফরিদ এসে মারধর শুরু করে। পরে প্রতিবেশীরা আসালে ওরা সবাই পালিয়ে যায়। আমি সহ আমার পিতা-মাতা, দুই ভাই মারধরে গুরুত্বর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হই।
এই ব্যাপারে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, ঘটনা শুনে রাতে আমি ও ইউএনও হাসাপতালে দেখতে যাই। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।