অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৯শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


আরাকান আর্মির হাতে আটক ২৪ জেলেকে ফেরত আনল বিজিবি


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯শে আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৩

remove_red_eye

৩০

বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশের পর আরাকান আর্মির (এএ) হাতে আটক ২৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ফেরত আনা জেলেদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি এবং ছয়জন মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা।

 

বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে বিজিবির একটি প্রতিনিধিদল নাফ নদীর শূন্যরেখায় আরাকান আর্মির কাছ থেকে তাদের গ্রহণ করে টেকনাফ জেটিঘাটে নিয়ে আসে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া।

তিনি জানান, ২০২৫ সাল থেকে ২০২৬ সালের বিভিন্ন সময়ে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যাওয়া কয়েকটি মাছ ধরার নৌকার জেলেরা অনিচ্ছাকৃতভাবে বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে মিয়ানমারের জলসীমায় ঢুকে পড়েন। এ সময় তাদের আটক করে আরাকান আর্মি।

পরে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা অথবা কারাগারে তাদের আটক রাখা হয়।

 

আটক জেলেদের মানবিক বিবেচনায় দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির উদ্যোগে মিয়ানমারের সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় ধাপে ধাপে আটক জেলেদের হস্তান্তরের বিষয়ে অগ্রগতি হয়।

বুধবার নাফ নদীর শূন্যরেখায় আনুষ্ঠানিকভাবে ২৪ জেলেকে গ্রহণ করে বিজিবি। পরে তাদের টেকনাফ জেটিঘাটে আনা হয়। স্থানীয় উপজেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে তাদের পরিচয় যাচাইয়ের কার্যক্রম চলছে। যাচাই শেষে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হানিফুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিজিবির দায়িত্ব। মানবিক সংকট মোকাবিলায় পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা ও কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে আটক জেলেদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, অবশিষ্ট আটক জেলেদেরও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে বিজিবির প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সীমান্তের নিরাপত্তা ও জনগণের আস্থা ধরে রেখে সংবিধান ও আইনের আলোকে বিজিবি দায়িত্ব পালন করে যাবে।