অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ১৯শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


বোরহানউদ্দিনে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধানসহ গ্রেপ্তার-৩


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ই আগস্ট ২০২৬ রাত ১১:২৩

remove_red_eye

৫২

পুলিশের সংবাদ সম্মেলন

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার বোরহানউদ্দিনে ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের কথিত প্রধানসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ । এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে ভোলা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার।
পুলিশ জানায়,  গত ১০ আগস্ট দিবাগত রাতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাটামারা এলাকায় ব্যবসায়ী সৈয়দ আরাফাত রহমান চৌধুরী ও তাঁর ছোট ভাই সৈয়দ আশিকুর রহমান চৌধুরীর বসতঘরে ৭-৮ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-মুখ বেঁধে ফেলে। পরে আলমারি ও সুকেস ভেঙে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনসহ ১১ লাখ ২৬ হাজার টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী সৈয়দ আরাফাত রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে ১০ আগস্ট সকালে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করেন। মামলার পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ডাকাত দলের সদস্যদের শনাক্ত করে পুলিশ। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট লালমোহন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের প্রধানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লালমোহনের পশ্চিম চরউমেদ এলাকার মো. আমির হোসেন (৪৫), দক্ষিণ মেহেরগঞ্জের মো. মঞ্জু (৩৫) এবং চরফ্যাশনের আব্দুল্লাহপুর এলাকার মো. হাসান (২১)। অভিযানে ছয়টি বালা, এক জোড়া কানের ঝুমকা, দুটি চেইন, দুটি আংটি, এক জোড়া ছোট ঝুমকা, একটি চিকন চেইন ও চার হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, অস্ত্র ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া মঞ্জুর বিরুদ্ধে ছয়টি এবং আমির হোসেনের বিরুদ্ধে দুটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।
পুলিশ সুপার জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা শেষে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ডাকাত দলের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তার ও লুট হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।