বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭ই আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৫:৪৮
১০৬
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রচলিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পদ্ধতি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
রিটে কেবল সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধানকে অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী সকল প্রার্থীকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) ঢাকা-৫ আসনের সাবেক স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আইনজীবী মোহাম্মদ সাইফুল আলম সুজন জনস্বার্থে উচ্চ আদালতে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
রিটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১-এর ২(ঘ) ধারা বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে, যেখানে কেবল সংসদ সদস্যদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
রিটকারী আইনজীবী সাইফুল আলম সুজন শুনানির প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নিজের নির্বাচনি আসনের (ঢাকা-৫) উদাহরণ টেনে বলেন, ‘ঢাকা-৫ আসনে আমরা ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলাম। সেখানে যিনি বিজয়ী হয়েছেন তিনি ভোট পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১টি। কিন্তু আমরা বাকি ১০ জন যারা বিজিত হয়েছি, আমাদের সম্মিলিত ভোট ১ লাখ ৪ হাজার ৭২৯টি। অর্থাৎ বিজয়ী প্রার্থীর চেয়ে আমরা প্রায় ৮ হাজার ভোট বেশি পেয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘সারা বাংলাদেশের ৩০০ আসনেই যদি জরিপ করা হয়, তবে দেখা যাবে বিজয়ী প্রার্থীর চেয়ে বিজিত প্রার্থীদের মোট প্রাপ্ত ভোট বেশি। অথচ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনে কেবল সংসদ সদস্যদেরই ভোটার করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি একজন সার্বজনীন ব্যক্তি; তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। তাকে এমন পদ্ধতিতে নির্বাচিত করা উচিত, যেখানে সামগ্রিক জনগোষ্ঠীর মতামতের প্রতিফলন ঘটে।’
রিট আবেদনে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের ভোটাধিকার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আইনজীবী সাইফুল আলম বলেন, ‘সংরক্ষিত কোটায় যারা নারী সংসদ সদস্য মনোনীত হন, তাদের সঙ্গে জনগণের কোনো প্রত্যক্ষ ভোট বা ম্যান্ডেটের সম্পর্ক নেই। তা সত্ত্বেও তারা এই আইনের কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন। অথচ আমরা যারা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোট নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি, আমাদের কোনো ভোটাধিকার নেই। এটি চরম বৈষম্য এবং সংবিধানের মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনার পরিপন্থী।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইনের ১০(১) ধারা অনুযায়ী প্রকাশ্যে ভোট দেওয়ার বিধানকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন এই আইনজীবী।
তিনি বলেন, ‘যদি প্রকাশ্যেই ভোট দিতে হয়, তবে নির্বাচনের নামে এই আনুষ্ঠানিকতার দরকার কী? এটি একটি ভণ্ডামি ছাড়া আর কিছুই নয়। সংসদ সদস্যদের যদি দলীয় নির্দেশেই প্রকাশ্যে ভোট দিতে হয়, তবে কণ্ঠভোটে স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা যেতে পারে। এতে জনগণের হাজার হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতো।’
রিটে দাবি করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন ১৯৯১-এর ২(ঘ) ধারা সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বর্ণিত গণতন্ত্র ও মানবাধিকার এবং ২৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সংবিধান অনুযায়ী, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন টেকে না।
আবেদনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য একটি অভিন্ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল
লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
বোরহানউদ্দিনে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৪৮,৫০০ টাকা উদ্ধার, মা’দক ব্যবসায়ী আটক
ভোলায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-২
দৌলতখানে পুকুর থেকে প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
গণতন্ত্র একটি সংস্কৃতি যা নিয়মিত চর্চার মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরি হয় : রাষ্ট্রপতি
এশিয়ান গেমসে ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে কমিটি গঠনের নির্দেশ
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত