অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ৭ই আগস্ট ২০২৬ | ২৩শে শ্রাবণ ১৪৩৩


ভোলায় ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৬ই আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

remove_red_eye

৭০

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কারের দাবিতে 

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার এবং জুলাইয়ের সহিংস ঘটনায় দায়ীদের বিচারের দাবিতে ভোলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও গণমিছিল করেছে ১১ দলীয় জোট। কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (৫ আগস্ট) বাদ আসর ভোলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন কাবিন মসজিদ চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশ শেষে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের অংশগ্রহণে একটি গণমিছিল কাবিন মসজিদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে ভোলা প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়কসহ শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে হাটখোলা মসজিদের সামনে গিয়ে শেষ হয়। জেলা, সদর উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে কর্মসূচিটি শহরে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
সমাবেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ভোলা জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মুহাম্মদ জাকির হোসাইন, জেলা নায়েবে আমীর ও ভোলা-১ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট ইলিয়াস সুমন, এলডিপির জেলা সভাপতি সাংবাদিক বশির আহমেদ, সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা কামাল হোসাইন, পৌর আমীর মাওলানা জামাল উদ্দিন, নায়েবে আমীর মো. রুহুল আমিনসহ ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, জুলাইয়ের আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই আন্দোলনে প্রাণহানির ঘটনাগুলোর বিচার এবং গণভোটের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের রায় বাস্তবায়ন জাতীয় প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, বিচার ও সংস্কার প্রক্রিয়ার ধীরগতির কারণে জনগণের মধ্যে হতাশা ও উদ্বেগ বাড়ছে।
সমাবেশ থেকে বক্তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা, গুম কমিশন পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডসহ জুলাইয়ের সহিংস ঘটনায় নিহতদের সব ঘটনার নিরপেক্ষ ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানান।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণের ন্যায়বিচার ও সংস্কারের প্রত্যাশা দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে গণতান্ত্রিক উপায়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। একই সঙ্গে তারা সরকারকে জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান জানিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা শান্তিপূর্ণভাবে গণমিছিল সম্পন্ন করেন।