বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১লা আগস্ট ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:০৯
১১৭
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে জোর আলোচনা। কদিন ধরে এক ডজনের বেশি নাম লোকমুখে ঘুরে বেড়ালেও দলীয় ও রাজনৈতিক পর্যায়ের আলোচনায় শেষ পর্যন্ত তিনজনের নামই বেশি উচ্চারিত হচ্ছে। এর মধ্যে আজ শনিবার (১ আগস্ট) দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়টিও উঠতে পারে।
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার তালিকায় যাদের নাম থাকতে পারে বলে জানা যাচ্ছে তারা হলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খান এবং দলের মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
দলীয় সূত্র বলছে, শনিবার (১ আগস্ট) দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদের বিষয়টি উঠতে পারে। তবে একাধিক সূত্রের দাবি, বিষয়টি আনুষ্ঠানিক আলোচ্যসূচিতে নাও থাকতে পারে। সে ক্ষেত্রে অতীতের মতোই স্থায়ী কমিটির সদস্যরা সিদ্ধান্তের ভার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ওপর ছেড়ে দেওয়ার পক্ষে মত দিতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে কেউ কেউ বিষয়টি উত্থাপন করতে পারেন বলেও শোনা যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রোফাইল এরইমধ্যে উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
দলীয় আলোচনা সম্পর্কে অবগত একাধিক সূত্রের দাবি, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেবল দলীয় রাজনীতি নয়, দেশের সামগ্রিক কূটনৈতিক ভারসাম্য, সাংবিধানিক স্থিতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে। বিভিন্ন পর্যায় থেকে নানান মতামত থাকলেও শেষ পর্যন্ত এমন একজনকে বেছে নেওয়ার চিন্তা রয়েছে, যিনি দেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য, অভিজ্ঞ এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে বলে বিবেচিত হন।
এই প্রেক্ষাপটে অধ্যাপক ড. আবদুল মঈন খানের নাম বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। পদার্থবিজ্ঞানে উচ্চশিক্ষা, নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণা, আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ, পরিকল্পনা, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা-সব মিলিয়ে তার প্রোফাইলকে শক্তিশালী হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তিনি নিউক্লিয়ার পদার্থবিজ্ঞানে গবেষণা করেছেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
হাফিজ উদ্দিন আহমেদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সাংবিধানিক ও সংসদীয় অভিজ্ঞতা রয়েছে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা, তৃণমূল থেকে জাতীয় নেতৃত্বে উঠে আসা এবং সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের বিষয়গুলো বিবেচনায় রয়েছে বলে বলছেন অনেকে।
তবে বিএনপির দায়িত্বশীল কোনো নেতা এখনো রাষ্ট্রপতি পদে কারও নাম আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেননি। নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করবে বলে সূত্রগুলোর দাবি। এর আগে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানার সুযোগ কম। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর।
স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য। কে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, এ ব্যাপারে আলোচনা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে কী কী বিষয় বিবেচনায় রাখা উচিত এমন প্রশ্নে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও রাজনীতি বিশ্লেষক মোবাশ্বের হোসেন টুটুল আটটি বিষয়ের কথা বলেন।
তারমতে, রাষ্ট্রপতির পাঁচ বছরের মেয়াদ, সম্ভাব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তার ভূমিকা, রাষ্ট্রপতির নির্বাহী ক্ষমতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা, অতীত রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সর্বজনস্বীকৃত ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাগত ও কূটনৈতিক যোগ্যতা, বর্তমান সরকার ও দলের সাংগঠনিক বাস্তবতা এবং রাষ্ট্রপতির শারীরিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা-সবকিছুই সমান গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, সব বিষয় বিবেচনায় নিলে বর্তমান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে দু-একজন ছাড়া কাউকে এ পদে বিবেচনা করা দূরদর্শী সিদ্ধান্ত হবে বলে আমি মনে করি না। তবে ক্ষমতায় বসলে অধিকাংশ মানুষেরই আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার প্রবণতা দেখা যায়। তবে সেটির পরিণতি অধিকাংশ সময়ই খুব ভালো হয়েছে, এমনটি প্রমাণিত নয়। তাই আবেগের চেয়ে যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন খান বলেন, আমার বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজনকে বেছে নেওয়া উচিত, যার কোনো অগ্রহণযোগ্য ব্যাড রেকর্ড নেই, দুর্নীতির অভিযোগ নেই, রাষ্ট্রের প্রতি যার দায়বদ্ধতা থাকবে এবং যার মেরুদণ্ড হবে শক্ত।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভাকে অনেক সময় অভিভাবকশূন্য মনে হয়। তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমার মনে হয়, অবসরপ্রাপ্ত কোনো জ্যেষ্ঠ বিচারপতির মতো অভিজ্ঞ ও ব্যক্তিত্বসম্পন্ন কেউ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থাকলে সরকার ও রাষ্ট্র-উভয়ই উপকৃত হতে পারে।
মহিউদ্দিন খান আরও বলেন, যদি দলীয়ভাবে কাউকে রাষ্ট্রপতি করা হয়, তাহলে এমন একজন জ্যেষ্ঠ নেতাকে বেছে নেওয়া উচিত, যার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ নেই এবং যার একটি স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে। তবে দুই যুগ আগে সরকারে থাকাকালীন বিএনপি যাদের (বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও ইয়াজউদ্দিন আহমদ) রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়েছিল, নতুন করে এমন কোনো ব্যক্তিত্বকে এ পদে নির্বাচন করা উচিত হবে না।
ভোলায় স্বামীকে কুপিয়ে হত্যার মামলায় স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
বোরহানউদ্দিনে ডাকাতির ঘটনায় ডাকাত দলের প্রধানসহ গ্রেপ্তার-৩
ভোলার মেঘনায় ভয়াবহ ড্রেজারডুবি ৩ জন উদ্ধার নিখোঁজ-১
ভোলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির কমিটি থেকে যুগ্ম সম্পাদকের পদত্যাগ
মনপুরায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির কমিটি অনুমোদন
চরফ্যাসনে জলাবদ্ধতা নিরসন করলেন যুবদলের নেতা আতিক ওসমানি
চরফ্যাশনে কুইজ প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ
দৌলতখানে সাঁতার প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ
লালমোহনে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু
ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত