অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে জুলাই ২০২৬ | ৭ই শ্রাবণ ১৪৩৩


বাংলাদেশ-নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর সুপারিশ ইকোসকের


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২শে জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:২৬

remove_red_eye

৫১

বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিউইয়র্কে ইকোসকের বৈঠকে সদস্যরাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বুধবার (২২ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে দুই দেশ প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং এলডিসি-উত্তর বাস্তবতায় অভিযোজনের জন্য আরও কার্যকরভাবে প্রস্তুতি নিতে পারবে।

এর আগে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশ ও নেপালের আবেদন পর্যালোচনা করে মত দেয়, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা সমীচীন হবে। সেই মতামতের ভিত্তিতেই ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বর্তমান সূচি অনুযায়ী, আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরণের তারিখ। ইকোসক সুপারিশ করেছে, ওই তারিখের আগেই সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এলডিসি থেকে বাংলাদেশের টেকসই উত্তরণের প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ ও সংস্কার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলডিসি-উত্তর পর্বের জন্য দেশের প্রস্তুতি আরও সুদৃঢ় করবে এবং টেকসই উত্তরণের লক্ষ্য অর্জনে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে যেতে পারবে।