অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ইরান যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ বাংলাদেশি


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ই জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:৩০

remove_red_eye

৫২

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে হামলা করার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধ ছড়িয়েছে, তাতে এ পর্যন্ত ১২ জন বাংলাদেশি মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে লেবাননে পাঁচজন, সৌদি আরবে তিনজন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে দুজন, ইরাকে একজন এবং বাহরাইন একজন মারা গেছেন।

 

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। সংসদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।

 

 

আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে ইরান থেকে ১২ জন নারী ও আট শিশুসহ মোট ১৮৬ জনকে ফেরত আনা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও যুদ্ধপরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ হতে প্রবাসী কর্মী বিভিন্ন সময়ে ফেরত আনা হয়।

 

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে এ পর্যন্ত ১২ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। তন্মধ্যে একজনের লাশ সংশ্লিষ্ট দেশে দাফন করা হয়েছে।

নয়জনের লাশ দেশে আনা হয়েছে এবং তাদের পরিবারের অনুকূলে লাশ দাফন বাবদ বিমানবন্দর হতে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা এবং যুদ্ধে নিহত হওয়ায় বিশেষ অনুদান হিসেবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

 

মন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দর হতে অসুস্থ ও মৃত কর্মী পরিবহনের জন্য অ্যাম্বুলেন্স বহরে দুটি ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্স (ঢাকা ও সিলেট বিমানবন্দরে) এবং চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ঢাকা বিমানবন্দরে আরও দুটি অ্যাম্বুলেন্স রয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসীদের লাগেজ বহনের সুবিধার্থে ২০০টি ট্রলি ক্রয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আহত, অসুস্থ প্রবাসী কর্মীদের বিমানে ওঠা-নামার সুবিধার্থে ১০টি হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী লাউঞ্জ স্থাপন ও ৩০ শতাংশ ডিসকাউন্টে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা এবং বিমানবন্দরে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবার জন্য মেডিকেল কর্নার (ফার্স্ট এইড) স্থাপন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।