অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় জামায়াতের সদস্য শিবির অনুষ্ঠিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭শে জুন ২০২৬ রাত ০৯:৪৫

remove_red_eye

৫০

মোঃ আমির হোসাইন : আদর্শিক, দক্ষ ও জনকল্যাণমুখী নেতৃত্ব তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভোলা জেলা শাখার উদ্যোগে ‘সদস্য শিক্ষাশিবির-২০২৬’ গত শনিবার ভোলা জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
আয়োজিত এ শিক্ষাশিবিরে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে সংগঠনের সদস্যরা অংশ নেন।

শিক্ষা শিবিরের সভাপতিত্ব করেন, ভোলা জেলা আমির মো. জাকির হোসাইন  জেলা সেক্রেটারি মাওলানা হারুন অর রশিদ-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মো. শাহজাহান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলাল, ভোলা জেলা তদারককারী এ কে এম ফখরুদ্দীন উদ্দিন খান রাজী এবং জেলা নায়েবে আমির ও জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মো. শাহজাহান বলেন, তাকওয়া, আমানতদারিতা ও ইনসাফ—এই তিনটি গুণ একজন নেতার মৌলিক বৈশিষ্ট্য। তিনি বলেন, নেতৃত্ব কেবল দায়িত্ব পালনের বিষয় নয়; এটি একটি আমানত। একজন নেতা যদি আল্লাহভীরু, সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হন, তাহলে তিনি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের ব্যক্তিগত জীবন, পারিবারিক আচরণ, সামাজিক দায়িত্ব ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে ইসলামের আদর্শের বাস্তব প্রতিফলন ঘটাতে হবে। একজন সদস্যের উত্তম চরিত্র, শৃঙ্খলাবোধ, ত্যাগ এবং মানুষের প্রতি আন্তরিকতাই সংগঠনের শক্তিকে আরও সুসংহত করে।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আদর্শিকভাবে সমৃদ্ধ, দক্ষ ও সৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলা সময়ের দাবি। সে লক্ষ্যেই সদস্যদের প্রশিক্ষণ, আদর্শিক চর্চা ও সাংগঠনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে নিয়মিত শিক্ষাশিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে নেতৃত্ব বিকাশ, সদস্যদের দায়িত্ব ও কর্তব্য, সাংগঠনিক পরিকল্পনা এবং ইসলামী আন্দোলনের বিভিন্ন দিক নিয়ে পৃথক অধিবেশনে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত সদস্যরা এসব অধিবেশনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে দেশ, জাতি, ইসলামী আন্দোলনের সফলতা এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।