অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত যুবক গ্রেফতার


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে জুন ২০২৬ সকাল ১০:০৭

remove_red_eye

৮৮

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা জেলা  শহরের চরনোয়াবাদ এলাকায়  ষাটোর্ধ্ব বয়সী বৃদ্ধাকে ধর্ষণের ঘটনায় সোমবার দুপুরে অভিযুক্ত সজীবকে পশ্চিম ইলিশা তুলাতুলি  এলাকা থেকে  গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সজিব পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে  গা ঢাকা দেয়। ওই যুবক মাদকাসক্ত বলে জানান স্বজনরা। রোববার  অধিক রক্তক্ষরণ ও গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়  ভিকটিমকে  জেলা সদরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় । অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

শনিবার (২০ জুন) গভীর রাতে  ধর্ষনের শিকার হয়েছে ওই বৃদ্ধা। হাসপাতালে ভর্তির পরেই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। 
ভোলা থানার ওসি মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনায় সামাজিকভাবে তোলপাড় শুরু হয়। পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ কাওছারের নির্দেশে অভিযুক্তকে আটকে পুলিশের টিম মাঠে সাড়াশি অভিযান চালায়। ওসি’র নেতৃত্বে এসআই নাইমুল ইসলামসহ পুলিশ টিম  পশ্চিম ইলিশার তুলাতুলি এলাকায় এক আত্মীয়র বাড়ি থেকে সজিবকে আটক করে । পরে তাকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। 
স্থানীয় সূত্র জানায়,  বৃদ্ধা তার পুত্রবধূকে নিয়ে শহরের  কালীখোলা এলাকার বাড়িতে বসবাস করেন। তার স্বামী মারা গেছেন এবং একমাত্র ছেলে বিদেশে থাকেন। শনিবার রাতে পুত্রবধূর ছোট ভাই সজীব তেলি তাদের বাসায় বেড়াতে আসেন। রাতে খাবার শেষে পুত্রবধূ, তার ভাই ও পুত্রবধর শ্বাশুড়ি বৃদ্ধা আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। অভিযোগ রয়েছে, রাতের কোনো এক সময় বৃদ্ধাকে ধর্ষণ  করা হয়। পুত্রবধূর  ছোট ভাই সজীব তেলিই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে জানান বোন। 
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরাফাত রহমান জানান, গুরুতর অবস্থায় ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি ডিএনএ টেস্টসহ প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২৫০ শয্যা হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার তৈয়বুর রহমান জানান, রক্ত দেয়াসহ সময়মত  চিকিৎসা দেয়ায় বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।এিমন ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেন ডাক্তার তৈয়ব। এদিকে এমন ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধিক্কার জানানো হয়। অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেয়ার দাবি জানানো হয়।