অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


ভোলায় শ্বাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগ পুত্রবধূর ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২শে জুন ২০২৬ সকাল ১০:০৪

remove_red_eye

৯৭

ভুক্তভোগীকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি 


বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা পৌরসভার কালীখোলা এলাকায় ষাটোর্ধ্ব এক বৃদ্ধা শ্বাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তারই পুত্রবধূর আপন ছোট ভাই সজীব তেলি (২০) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ভুক্তভোগীকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা গুরুতর  জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।তবে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে রোববার সকালে বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ঘটনাটি জানাজানি হয।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী বৃদ্ধা তার পুত্রবধূকে নিয়ে ভোলা  সদর উপজেলার কালীখোলা এলাকায় বসবাস করেন। তার স্বামী মারা গেছেন । একমাত্র ছেলে বিদেশে থাকেন। শনিবার রাতে পুত্রবধূর ছোট ভাই সজীব তেলি তাদের বাসায় ঘুমাতে আসেন। রাতে খাবার শেষে পুত্রবধূ, তার ভাই ও বৃদ্ধা আলাদা কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন।

অভিযোগ রয়েছে, রাতের কোনো এক সময় বৃদ্ধাকে ধর্ষণ করা হয়। ভোরে কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি রক্তক্ষরণজনিত সমস্যায় স্থানীয় এক নার্সের কাছে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন এক নারীর কাছে যান। পরে ওই নার্সের কাছে ঘটনার কথা জানান। বিষয়টি জানতে পেরে পুত্রবধূ ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং শাশুড়ির শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখে তাকে দ্রুত ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তাকে রক্ত দেয়া হচ্ছে।
ভুক্তভোগীর পুত্রবধূ অভিযোগ করেন, তার ছোট ভাই সজীব তেলিই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। 

ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরাফাত রহমান জানান, গুরুতর অবস্থায় ওই নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি ডিএনএ টেস্টসহ প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এদিকে ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন,  পুলিশ ভুক্তভোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে।