অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৭ই জুন ২০২৬ | ২৪শে জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


ভোলার ২১ চরের দুই লাখ মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঝুঁকিতে


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৭ই মে ২০২৬ সকাল ০৯:৫৯

remove_red_eye

১০০

দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি
 
 
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসিবে চিহ্নিত ভোলা জেলায় দুর্যোগ ও ঘূর্ণিঝড় মৌসুম শুরুতে দুর্যোগ মোকাবেলায় শনিবার এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা সিপিপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ওই সভায় জেলার ৭ উপজেলার সিপিপি টিম লিডাররা অংশ নেন। সভায় সিপিপি’র উপ-পরিচালক মোঃ হাসানুল আমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সদর উপজেলার টিম লিডার মোঃ আবুল হাসনাত তসলিম, চরফ্যাশন উপজেলা কর্মকর্তা মাহতাবুল বারী ।
এ সময় তজুমদ্দিন উপজেলা সিপিপি টিম লিডার টুটুল তালুকদার জানান, ওই উপজেলার কয়েকটি চরে কোন সাইক্লোন সেল্টার নেই। চরের কম পক্ষে ১০ হাজার মানুষ দুর্যোগকালে থাকেন চরম নিরাপত্তাহীনতায়। জেলা সদরের কাচিয়া মাঝের চরে নদী ভাঙনের ফলে স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নদীতে বিলীন হয়েছে। ফলে ওই এলাকার ৬ হাজার মানুষ এখন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। জেলায় ২১টি বিচ্ছিন্ন চরে ২ হাজার থেকে ১৫ হাজার মানুষ বাস করে। ওই সব চরে নির্ভরযোগ সাইক্লোন সেল্টার গড়ে ওঠে নি। হিসেব অনুযায়ী জেলার মেঘনা , তেঁতুলিয়া ও সাগর মোহনার ২১ চরে কমপক্ষে ২ লাখ মানুষ দুর্যোগকালীন ঝুঁকিতে থাকেন। দুর্যোগ শুরুর আগেই তাদের সর্তক করা হয়। তবে দুর্যোগ শুরু হলে চর থেকে এদের নিরাপদ স্থানে সরানো সম্ভব হয় না। প্রতিবছর মনপুরার কলাতলি, চরফ্যাশনের ঢালচর, দৌলতখানের মদনপুর, সৈয়দপুর , হাজিপুর, লালমোহনের লতারচর, সদরের চটকীমারা, ভোলার চর, গাজীরচর, রামদাসপুর এমন বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলে দুর্যোগে মানুষের নির্ঘূম রাত কাটে। বলাযায় প্রতিবছর ঝড়ে অসংখ্য গাছপালা ভেঙে পড়ে। বিধস্ত হয় কৃষক ও শ্রমিকের কাচাঘরবাড়ি।
চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচরে অবস্থা খুবই নাজুক। ওই এলাকার মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। ওই এলাকাও ভাঙনের মুখে রয়েছে। ফলে সরকারিভাবে ওই এলাকায় নতুন কোন স্থাপনা গড়ে তোলা হচ্ছে না বলে জানান এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, জেলায় বর্তমানে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে জেলা সদরের শিবপুর এলাকা। এ ছাড়া বড় ধরনের আর কোন ঝ’ঁকি নেই। ওই সব এলাকা নজরদারীতে রাখা হচ্ছে।