অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ১৭ই মে ২০২৬ | ২রা জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩


বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নবায়ন করা হবে : মির্জা ফখরুল


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই মে ২০২৬ বিকাল ০৫:০৯

remove_red_eye

৫০

দেশের জাতীয় স্বার্থকে বিনষ্ট করে সরকার কোনো চুক্তি করবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে কিনা তা ফারাক্কা চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়েই নির্ভর করবে। বাংলাদেশের স্বার্থ সবার আগে দেখবে সরকার, ইনশাআল্লাহ।’ 

শনিবার (১৬ মে) ফারাক্কা লং মার্চ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, চলতি বছর চুক্তি শেষে ফারাক্কা চুক্তি নবায়নে ভারতকে এগিয়ে আসতে হবে। তবে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করেই ফারাক্কা ব্যারাজ চুক্তি নবায়ন করা হবে।

পদ্মা ব্যারাজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের অভিপ্রায় ও জাতীয় স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়েই ফারাক্কা ইস্যুর সমাধানে আলোচনা ও চুক্তি হতে হবে।মির্জা ফখরুল বলেন, একটি গোষ্ঠীর কয়েকজন নেতা বিভিন্নভাবে এই সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলছে এবং অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের জনগণ, যারা বুকের রক্ত দিয়ে গণতন্ত্রকে অর্জন করেছে তারা কখনোই কোনোভাবেই কোনোরকম চক্রান্ত-ষড়যন্ত্রকে এখানে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেবে না। জনগণকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। 

একই অনুষ্ঠানে পানি ও পরিবেশগত সংকটের পাশাপাশি দেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, ‘পানি সমস্যা, পরিবেশ সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সমস্যাও বিরাট আকার ধারণ করছে। যে উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিকাশ ঘটছে, সেটি নিয়ন্ত্রণ দরকার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীও সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করবো না, তবে দাসত্বের শৃঙ্খলেও আটকে থাকবো না।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রমুখ।