অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ | ২২শে আশ্বিন ১৪৩৩


ভোলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৩৩ শতাংশ অনুপস্থিত


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ই এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যা ০৭:৩৪

remove_red_eye

৩৬৯

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : দীর্ঘ বিরতির পর ভোলায় উৎসবমুখর পরিবেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলায় ১৪টি কেন্দ্রে মোট ৮ হাজার ৬২৫ জন পরীক্ষার্থীর অংশ নেওয়ার কথা থাকলেও প্রথম দিনে অংশ নিয়েছেন ৫ হাজার ৭৪৩ জন। অনুপস্থিত ছিল ২ হাজার ৮৮২ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৩.৪২ শতাংশ।

গতকাল  বুধবার প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বাংলা বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৬৬.৫৮ শতাংশ। উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলে ২ হাজার ২৮৬ জন এবং মেয়ে ৩ হাজার ৪৫৭ জন।

অভিভাবকরা জানান, এই পরীক্ষা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
জানা গেছে, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়—এই চারটি বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ক্যাটাগরিতে বৃত্তি প্রদান করা হবে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রী সমান হারে (৫০ শতাংশ করে) নির্বাচিত হবে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এবং বাকি ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে দেশে সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু হওয়ার পর এটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২২ সালে পরীক্ষামূলকভাবে পুনরায় চালু হলেও তা নিয়মিত হয়নি।