অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ | ২২শে আশ্বিন ১৪৩৩


তজুমদ্দিনে অটোরিকশা থেকে তুলে বাক প্রতিবন্ধী নারীকে দলবেঁধে ধর্ষণ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকাল ০৭:২৬

remove_red_eye

৩০৮

পুলিশ অভিযানে দুই জন আটক

বাংলার কন্ঠ প্রতিবেদক : ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নে কীর্তন থেকে বাড়ি ফেরার পথে রবিবার রাতে বাক প্রতিবন্ধী ২৫বছরের এক গৃহবধূ (এক সন্তানের জননী) গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে ওই নারী ভোলা সদর হাসপাতালের গাইনি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে।  এ ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিযে ২ জনকে আটক করেছে।

ভিকটিমের পরিবার জানায়, তজুমদ্দিন উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই নারী নিকটস্থ ৩ নং ওয়ার্ডের গোলকপুর গ্রামের অনিল সাধুর মন্দিরে আয়োজিত কীর্তনে  যান ওই গৃহবধূ। রবিবার রাত ৯টার দিকে কীর্তন থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশায় ওঠেন। এসময় অটোতে চালকসহ তিনজন যুবক ছিলেন। স্থানীয় ধোপাবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছলে ওই নারীকে অটোরিকশা থেকে টেনে হিচড়ে নিকটস্থ বাগানে নিয়ে  পালাক্রমে দলবেঁধে ধর্ষণ করে। এ সময়ে মারধরও করা হয় ওই নারীকে। সোমবার ভোররাতে অভিযুক্ত ধর্ষকরা তাকে বাগানের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নারীকে পরে থাকতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ,  স্থানীয়  রাকিব ও তার অপর দুই বন্ধু শাকিল এবং হাসান মিলে ওই নারীকে তুলে নিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটিয়েছে।
ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ সামছুল আলম জানান, ভিকটিমকে তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা ও মেডিকেল পরীক্ষা করা হয়েছে। এছাড়া অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য অপারেশন থিয়েটারে অস্ত্রপাচার করা হয়েছে। বর্তমানের সে হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসাধীন আছে বলেও জানান তিনি।
তজুমদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, ভুক্তভোগী নারী সুস্থ হলে মামলা হবে। পুলিশ আলামত সংগ্রহের পর ওই নারীর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেছে। ভোলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ ইব্রাহীম জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ অভিযানে নামে।  এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 
অপরদিকে রাতে পুলিশ সুপার শহিদুল্লাহ কাওছার জানান, তজুমদ্দিনে ধর্ষণের ঘটনা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এঘটনায় আরো এক জন সহ মোট দুই জনকে আটক করা হয়েছে।