অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২০শে আগস্ট ২০২৬ | ৫ই ভাদ্র ১৪৩৩


আম-মধুর ব্যবসা, এই জীবনটাই উপভোগ করি: তারেক


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকাল ০৪:০৭

remove_red_eye

১৮১

সরকারি চাকরির সুযোগ না পেয়ে আম ও মধুর ব্যবসা শুরু করেছিলেন বলে জানিয়েছেন আমজনতার দলের সদস্য সচিব মো. তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, আম-মধুর ব্যবসায় শুধু পরিবার চলে না, আমার রাজনীতিতেও ব্যয় হয় এই টাকা। আমি আমার এই জীবনটাই উপভোগ করি, আল্লাহ ভরসা।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সাম্প্রতিক নির্বাচন ও নিজের জীবন সংগ্রাম নিয়ে লিখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্ট্যাটাসে তারেক রহমান লেখেন, আমি তারেক, পেশায় একজন আইটি ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার বাবা-মা সেই ব্যবসা করতে দেন নাই। তারা চান আমি সরকারি চাকরি করি। সেখান থেকে সরকারি চাকরির চেষ্টা করে বার বার ভাইবা দিয়েও ব্যর্থ হচ্ছিলাম। একদিন সবাই স্মৃতিতে স্মরণ করবে, শিক্ষক নিয়োগে ৮৪ শতাংশ কোটা, রেলওয়েতে ৪০ শতাংশ পোষ্য বা পারিবারিক কোটা, আর ১ম ও ২য় শ্রেণিতে কোটা ছিল।

এরপর তিনি লেখেন, ব্যাক্তিগত জায়গায় বার বার আশাহত হয়েই এই ব্যবস্থা থেকে মুক্তির জন্য উদ্যোগ নিয়েছিলাম কোটা সংস্কারের। আমরা কোটা সংস্কারের লড়াই করলেও, অনেকে এটাকে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে শত্রুতার পর্যায়ে নিয়ে যায়। শেখ হাসিনার সরকারও এই আন্দোলনকে রাজাকারদের আন্দোলন বলে বলতে থাকে। বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য আমরা কিছুটা কোটা রেখেই, নারীদের জন্য কিছুটা, প্রতিবন্ধী ও পাহাড়ের অনগ্রসর বন্ধুদের জন্য মিলায়ে ১৫ শতাংশ কোটার প্রস্তাব করেছিলাম।

আমাদের লড়াই ন্যায়বিচারের জন্য ছিল উল্লেখ করে তারেক লেখেন, সেখান থেকে কোটা পুরোটা বাতিল হয়ে যায়। এখানে শেখ হাসিনার জিদ একটা বড় ক্ষতি করে। পুরো কোটা সিস্টেম ফল করে। আমি এখনো মনে করি, অনগ্রসর জেলার জন্য এগিয়ে নিতে জেলাভিত্তিক বরাদ্দ রাখতেই হবে। কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাটে আমি অনেকবার গিয়েছি, সেখানে মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে জীবনযাপন করে। তাদের কিছুটা এগিয়ে তো দিতেই হবে। এগিয়ে না দিলেও জনসংখ্যার অনুপাত হিসেবে তারা তাদের অঞ্চলের রিক্রুটমেন্ট এর একটা অধিকার রাখে। কোটার বৈজ্ঞানিক ও আধুনিক বিন্যাসের মাধ্যমে সমাজের অনগ্রসর এলাকা ও গোষ্ঠীর জন্য বরাদ্দ রাখতেই হবে। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে নারী কোটা পুরোপুরি বাতিল আমরা কখনোই চাইনি। এখানে গ্রামগঞ্জের মেধাবী বোনদের একটা অগ্রাধিকার থাকাই উচিত। কিন্তু সেই কোটা কি ৬০ শতাংশ নারী কোটা আর ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা? আবার বলুন তো একটা খাতে ৬০ শতাংশ নারী কোটা ছিল, সেখানে এক ধাক্কায় ০ শতাংশ করা কি উচিত হয়েছে? আন্দোলনে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পায় নাই, সেই সুযোগ দেওয়া হয় নাই। আন্দোলনের হাত থেকে বাঁচতে, রাগে ক্ষোভে সব কোটা বাতিল করা হয়েছে।

চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় নিজের পূর্বের স্মৃতিচারণ করে তারেক লেখেন, ২০১৮ এর কোটা আন্দোলনের পর, বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানিতে ভাইভা দেই, আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয় না। দুইবার ভাইভা দেই এসআই নিয়োগে, ৩ বার ভেরিফিকেশনের পর বাদ দেওয়া হয়। এভাবে কতগুলো পরীক্ষায় শেষ সময়ে বাতিল হয়েছি মনেও নাই। কৃষি ব্যাংকের লিখিত পরীক্ষায় জালিয়াতি থামাতে গিয়ে মারাত্মক হামলার শিকার হয়েছিলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি বন্ধ করতে গিয়ে পুরো ২ ঘণ্টা আটকে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিকিউরিটি আমাকে নির্যাতন করেছিল। এই পরীক্ষাগুলো পুনরায় নিতে বাধ্য আমি করেছিলাম।

তারেক রহমান লেখেন, এসব অ্যাকটিভিজম করতে করতে আর চাকরিতে ঢোকার সুযোগ পেলাম না। আর ক্ষুধা আর দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পেতে তখন থেকেই শুরু করি আম ব্যাবসা। পেটের ক্ষুধা যে কী, আমরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছি। খরকুটার মতো অনেক ব্যাবসা আঁকড়ে ধরেছি, সোজা হয়ে দাঁড়াতে দেওয়া হয় নি। পলাশীতে আমার দোকান ছিল, তখন দুবার আমার দোকান ভাঙচুর করলো। আগারগাঁও পাকা মার্কেটে দীর্ঘদিন ব্যাবসা করেছি। প্রশাসনের লোক দিয়ে পর্যন্ত আমার দোকান মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আমজনতার দলের সদস্য সচিব লেখেন, এসব কারণে অনলাইনে আম বিক্রিই আমার ভার্চুয়াল ব্যাবসার কেন্দ্র হয়ে ওঠে। গ্রীষ্মের আম, আর শীতের মধু। এই মিলে আমার আম-মধুর ব্যাবসা। আমার জীবনে কোনো কিছুর জন্য কোনো আক্ষেপ নাই। খুব সাধ ছিল হাজার ৪০ এর মতো বেতন পেলে কোনোভাবে জীবনটা চালিয়ে নেবো। আলহামদুলিল্লাহ, আম-মধুর ব্যাবসায় শুধু পরিবার চলে না, আমার রাজনীতিতেও ব্যায় হয় এই টাকা।

নির্বাচনের ফলের কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ২ দিন আগে নির্বাচনে ডাব্বা মারলাম। জানেন, আমার বা আমার পরিবারের একটু খারাপও লাগে নাই। আল্লাহ আমাকে ওই জায়গার জন্য যোগ্য মনে করেন নাই, আমি ভালো করি নাই। নেতৃত্ব আল্লাহ থেকে আসে, ২০১৮ থেকে আল্লাহ আমাকে যেখানে যেখানে উপযুক্ত মনে করেছেন, আমি নেতৃত্ব দিয়েছি। হয়তো আমি সংসদের উপযুক্ত নই, তাই সেখানে আমার যাওয়া হলো না।

শেষে তিনি লেখেন, আমি আমার এই জীবনটাই উপভোগ করি, আল্লাহ ভরসা।





ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আরও...