বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০ই জানুয়ারী ২০২৬ সন্ধ্যা ০৬:২৪
৩৩৮
সদ্য বিদায়ী ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় গাড়ি চাপায় সারাদেশে ১ হাজার ৮ জন শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৬৪ শিশু নিহত হয়েছে আঞ্চলিক সড়কে। যা মোট মৃত্যুর ৩৬ দশমকি ১ শতাংশ। নিহতদের মধ্যে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও চালক/হেলপার হিসেবে নিহত হয়েছে ৫৩৭ শিশু (৫৩ দশমকি ২৭ শতাংশ) এবং পথচারী হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনের চাপা/ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৪৭১ শিশু (৪৬ দশমকি ৭২ শতাংশ)।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫ সালের সড়ক দুর্ঘটনার বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংবাদ সন্মেলনে প্রতিবেদন তুলে ধরেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
সংবাদ সন্মেলনে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, নিহত ১০০৮ শিশুর মধ্যে বাস ও পণ্যবাহী যানবাহনের চাপা/ধাক্কায় নিহত হয়েছে ১৮৭ শিশু (৩৯ দশমিক ৭০ শতাংশ)। প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স ও জিপের চাপা/ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৩২ শিশু (৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ)। থ্রি-হুইলার ও নসিমন-ভটভটির চাপা/ধাক্কায় নিহত হয়েছে ১৯৮ শিশু (৪২ দশমিক ০৩ শতাংশ)। বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছে ৫৪ শিশু (১১ দশমিক ৪৬ শতাংশ)
শিশু নিহত হওয়া সড়কের ধরন
শিশু নিহত হওয়া সড়কের ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, মহাসড়কে ২৮১ শিশু (২৭ দশমিক ৮৭ শতাংশ), আঞ্চলিক সড়কে ৩৬৪ শিশু (৩৬ দশমিক ১১ শতাংশ), গ্রামীণ সড়কে ২৯১ শিশু (২৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ) এবং শহরের সড়কে ৭২ শিশু (৭ দশমিক ১৪ শতাংশ নিহত হয়েছে।
দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ
দুর্ঘটনাসমূহ ভোরে (২৭টি) ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ, সকালে (২৬৯টি) ২৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ), দুপুরে (২৮৩টি) ২৮ দশমিক ০৭ শতাংশ, বিকেলে (২৬১টি) ২৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ, সন্ধ্যায় (৯২টি) ৯ দশমিক ১২ শতাংশ এবং রাতে (৭৬টি) ৭ দশমিক ৫৩ শতাংশ ঘটেছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত শিশুদের বয়স ভিত্তিক বিশ্লেষণ
১ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ১৭৯ জন (১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ), ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ৩৮২ জন (৩৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ) এবং ১৩ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু নিহত হয়েছে ৪৪৭ জন (৪৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ)।
সড়ক দুর্ঘটনায় শিশু মৃত্যুর হার বৃদ্ধির পেছনে ৬টি কারণের কথা উল্লেখ করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। কারণগুলো হলো—
১. দেশের সড়ক ও সড়ক পরিবহন শিশুবান্ধব না হওয়া।
২. সড়ক ব্যবহার সম্পর্কে শিশুদের মধ্যে সচেতনতার অভাব।
৩. পরিবার এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সড়ক ব্যবহার সম্পর্কে পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ না দেওয়া।
৪. অদক্ষ ও অপ্রাপ্ত বয়স্ক চালক কর্তৃক যানবাহন চালানো।
৫. দুর্ঘটনায় আহত শিশুদের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার সংকট।
৬. আহত শিশুদের চিকিৎসায় পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা।
ভালোবাসার এক অদ্ভুত রসায়ন মান্নান স্যার
লালমোহনে মা ইলিশ সংরক্ষণে টাস্কফোর্সের সভা ২২ দিন নদীতে ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ
লালমোহনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা
তজুমদ্দিনে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ গণপিটুনির পর পুলিশের হেফাজতে গিয়াস
ভোলায় তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষানবিশ নির্বাচনে কমিউনিটি আউটরিচ সভা
দৌলতখানে সদ্য যোগদানকৃত শিক্ষকদের এমপি হাফিজ ইব্রাহিমের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে ভোলায় শিক্ষকদের মর্যাদা ও সুরক্ষার আহ্বান
বিশ্ব বসতি দিবসে ভোলায় পরিকল্পিত বসতি গড়ার আহ্বান
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত