অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২০শে আগস্ট ২০২৬ | ৫ই ভাদ্র ১৪৩৩


জীবনে কোনো নির্বাচনে হারেননি খালেদা জিয়া


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০শে ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ১০:২৭

remove_red_eye

২১২

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তার বয়স ছিল ৮০ বছর।

খালেদা জিয়া ১৯৮১ সালে স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর সৃষ্ট পরিস্থিতি তাকে দৃশ্যপটের বাইরে থেকে রাজনীতির মঞ্চে নিয়ে আসে। নিতান্তই একজন গৃহবধূ ছিলেন খালেদা জিয়া। রাজনীতির চৌকাঠ মাড়াতে হবে কোনোদিন, সে কথা হয়ত কল্পনাতেও ছিল না।

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে সরিয়ে দিতে সকল রাস্তাই পাকাপোক্ত করে আওয়ামী লীগ। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য তিনি কখনও কোনো নির্বাচনে পরাজিত হননি। 

বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তার মধ্যে একটি ছাড়া বাকি সবগুলো নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বয়কট করেছিল বিএনপি।

গত প্রায় তিন দশক ধরে বাংলাদেশের নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া কখনোই পরাজিত হননি।

১৯৯১ সাল থেকে শুরু করে ২০০১ সাল পর্যন্ত তিনটি সংসদ নির্বাচনে বেগম খালেদা জিয়া প্রতিবারই পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন এবং সবগুলো আসনে তিনি জয়লাভ করেছেন।

এর মধ্যে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনেও খালেদা জিয়া প্রার্থী ছিলেন। এরপর ২০০৮ সালে খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রতিন্দ্বন্দ্বিতা করে তিনটিতে জয়ী হন।

২০০৮ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছিল বিএনপি। সে নির্বাচনে বিএনপি মাত্র ৩০টি আসন পেলেও বেগম খালেদা জিয়ার নির্বাচনে জয়লাভ করতে কোনো অসুবিধা হয়নি।

২০১৮ সালের নির্বাচনেও বেগম খালেদা জিয়া তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়েছিলেন। আসনগুলো হলো— ফেনী ১, বগুড়া ৬ ও বগুড়া ৭। কিন্তু দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হবার কারণে নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েন তিনি।

বেগম খালেদা জিয়ার অতীত নির্বাচনগুলো পর্যালোচনা দেখা যায়, তিনি বগুড়া, ফেনী, লক্ষ্মীপুর এবং চট্টগ্রামের আসন থেকে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এ ছাড়া ১৯৯১ সালে ঢাকার একটি আসন থেকে এবং ২০০১ সালে খুলনার একটি আসন থেকে ভোটে লড়েছেন তিনি।

নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, শুধু জয়লাভ করাই নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার ভোটের ব্যবধানও ছিল বেশি। 

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনেও তার পক্ষে তিনটি আসন থেকে মনোনয়ন নেওয়া হয়েছিল। তবে অসুস্থতা বিবেচনায় রেখে সেখানে বিকল্প প্রার্থী রাখে বিএনপি।





রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট আজ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট আজ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটির শপথ

বরিশালে ৬ জেলার ৩০ তরুণকে নিয়ে ‘স্বাধীনতা বুটক্যাম্প’

বরিশালে ৬ জেলার ৩০ তরুণকে নিয়ে ‘স্বাধীনতা বুটক্যাম্প’

কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ভোলার সন্তান রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান

কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ভোলার সন্তান রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান

ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

আরও...