অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১১ই জুলাই ২০২৬ | ২৬শে আষাঢ় ১৪৩৩


একদিকে রায় অন্যদিকে মবক্রেসি, কীসের আলামত জানি না: মির্জা ফখরুল


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯শে নভেম্বর ২০২৫ সন্ধ্যা ০৬:২০

remove_red_eye

২০৮

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রদত্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের রায়ের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে একটি বিশেষ মহল সচেতনভাবে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি সরানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যখন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রায় দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে মবক্রেসি বা ভায়োলেন্স তৈরি করা হচ্ছে। এটা কীসের আলামত জানি না। আমার মনে হয়, ওই রায়ের গুরুত্ব কমিয়ে দিতে বিশেষ একটি মহল ভিন্ন দিকে দৃষ্টি দিতে কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে হবে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে ‘চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং ডকুমেন্টারি প্রদর্শনীতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি কোনো বিপ্লবী সংগঠন নয়, বরং একটি মুক্ত, স্বাধীনচেতা গণতান্ত্রিক দল—এ কথা পুনর্ব্যক্ত করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে বিধায় এই উদ্দেশ্য পূরণে সারাজীবন লড়াই করছে। দেশের মানুষও শত শত বছর ধরে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে।

তিনি বলেন, দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রের পথে যেতে না দিতে হলে গণতন্ত্রে ফেরার বিকল্প নেই। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতে হবে। বিচার বিভাগ স্বাধীন কি না, সাংবাদিক স্বাধীন কি না, আমাদের পার্লামেন্ট কার্যকর কি না, আইনের শাসন ও সুশাসন আছে কি না—এসব নিশ্চিত করা জরুরি। এজন্য বিএনপিসহ যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, তাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সংস্কার প্রশ্নে তিনি বলেন, আজ যদি কেউ এককভাবে সংস্কারের দাবি করেন, সেটা সংকীর্ণতা ছাড়া কিছু না। আমরা বহু বছর আগে থেকেই ১০, ২৭ এবং ৩১ দফার মধ্যদিয়ে সংস্কারের কথা বলে আসছি। আজ একটি মহল বিএনপির সংস্কারগুলো ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজনকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, আমি আশা করবো, গত ১৬ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসকে ডকুমেন্টারি হিসেবে তুলে ধরার উদ্যোগ আরও বিস্তৃতভাবে গ্রহণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান মীর নাসির উদ্দিন, ড. ওসমান ফারুক, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বাবুল তালুকদার প্রমুখ অংশ নেন।