অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ২০শে আগস্ট ২০২৬ | ৪ঠা ভাদ্র ১৪৩৩


ভোলায় মুগ ও ফেলন ডালের বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩শে এপ্রিল ২০২৫ রাত ০৯:০৪

remove_red_eye

৪২৫

আগামীতে ডালের চাষ আরও বাড়িয়ে ৩০ হাজার হেক্টরের বেশি করা সম্ভব
 
বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : ভোলা জেলায় চলতি রবি মৌসুমে মুগ ও ফেলন ডালের বাম্পার ফলন হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, রোগ-বালাই ও পোকার আক্রমণ না থাকায় কৃষকরা স্বস্তিতে ডাল চাষ করেছেন। বর্তমানে  চলছে ডাল সংগ্রহ, শুকানো ও বীজ সংরক্ষণের কাজ। ডালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষি বিভাগের পাশাপাশি পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর কৃষি ইউনিটের সহযোগিতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা (জিজিইউএস) প্রদর্শনী প্লট ও নিয়মিত পরামর্শের মাধ্যমে তাদের সদস্য কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে অনেক কৃষক আধুনিক পদ্ধতিতে ডাল চাষে উৎসাহী হয়েছেন এবং ভালো ফলন পেয়েছেন।
দৌলতখান উপজেলার কৃষক রাসেল জানান, “এই বছর ডালের ফলন ভালো হয়েছে। যদি ভালো দাম পাই, তাহলে আগামী বছরও ডাল চাষ করব।”
উত্তর জয়নগরের কৃষক শেখ ফরিদ বলেন, “আগে ছোট ডাল করতাম, লাভ হত না। এবার অফিস থেকে বড় জাতের ডাল দিয়েছে, সেটা করে আমরা লাভবান হয়েছি। সেই ডালের বীজ রেখে দিয়েছি, আগামী বছর সেটা দিয়েই চাষ করব।”
স্থানীয় কৃষাণী আসিয়া বেগম জানান, “এ বছর ডাল ভালো হয়েছে। তুলে শুকিয়ে রাখছি। আগামী বছর এই ডাল দিয়েই আবার চাষ করব।”
একই এলাকার বিলকিস বেগম বলেন, “নিজের জমিতে চাষ করলে পুরো ফসল নিজেই পাই। আর অন্যের জমিতে কাজ করলে দশ ভাগে এক ভাগ বা কখনো বারো ভাগে এক ভাগ ডাল পাই।”গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থার কৃষি ইউনিটের কারিগড়ি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুরাদ চেধুরী জানান, তাদের মাঠ কর্মকর্তাগন সরসরি মাঠে গিয়ে কৃষকদের ডাল উৎপাদনের কলা কৌশল শিখিয়ে দিয়েছেন। এবং প্রতিনিয়ত পরামর্শ দিয়ে তাদেও আগ্রহী করে তুলেছেন। ফলে চাষীরা ডাল জাতীয় ফশল উৎপাদনে উৎসাহ নিয়ে মাঠে নেমেছেন এবং ভালো ফলন পেয়েছেন।
ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ খায়রুল ইসলাম মল্লিক জানান, “এই রবি মৌসুমে ভোলা জেলায় ২৮,৬৫৫ হেক্টর জমিতে ডাল চাষ হয়েছে। উন্নত জাতের মধ্যে বারি মুগ-৬ সবচেয়ে জনপ্রিয়, যা প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জমিতে ব্যবহার হয়েছে। এছাড়া কিছু জায়গায় বিনা মুগ-৮ ও বারি মুগ-৭ চাষ হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ১.৪ মেট্রিক টনের মতো হতে পারে। যদিও সামান্য বৃষ্টিপাত হয়েছে, তবে যদি তা আরও আগে হতো, ফলন আরও ভালো হতে পারত। মাঠ পরিদর্শনে দেখা গেছে, অধিকাংশ কৃষক একাধিকবার ফসল তুলেছেন। দামও সন্তোষজনকÑপ্রতি কেজি মুগ ৯০ থেকে ১০০ টাকা, এবং বড় দানা হলে ১০৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।”
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছি আগামীতে ভোলায় ডালের চাষ আরও বাড়িয়ে ৩০ হাজার হেক্টর বা তার বেশি করা সম্ভব হবে। কৃষক যেন আরও লাভবান হয়, সে লক্ষ্যে কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মাধ্যমে মার্কেট লিংকেজ তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে।”




ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় পরিবারের কাছে ফিরে পেলেন নিখোঁজ বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশু

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

ভোলায় স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালী

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

চরফ্যাসনে মোবাইল কোর্টে অভিযান দুই ফার্মেসির জরিমানা

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

তজুমদ্দিনে মহিষের বাছুরের ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে মারামারি

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

ঐতিহাসিক রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন, আগামীকাল ভোটগ্রহণ : সিইসি

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

গণমাধ্যম বাংলাদেশে এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে : তথ্যমন্ত্রী

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বৈঠকে বসেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যগণ

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

কলকাতায় হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৯ জনের ৫ জন বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আরও...