অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ৫ই জুলাই ২০২৬ | ২১শে আষাঢ় ১৪৩৩


মোঃ নাসিমের মৃত্যুতে তোফায়েল আহমেদের শোক ও স্মৃতিচারণ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ই জুন ২০২০ সকাল ০৮:০৯

remove_red_eye

১১৩৭

বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক:: বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মোঃ নাসিমের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদেও সদস্য, ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ । এ সময় তোফায়েল আহমেদ মোঃ নাসিমের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমাদের জাতীয় ৪ নেতার অন্যতম সদস্য শহীদ এম মনসুর আলীর সুযোগ্য সন্তান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোঃ নাসিম আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি বাংলাদেশের রাজনীতির একজন বর্ণাঢ্য ব্যাক্তি ছিলেন। প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামের তিনি মুখ্য ভুমিকা পালন করেছেন। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা। পিতা এম মনসুর আলী সাহেব মুজিব নগর সরকারের অন্যতম মন্ত্রী ছিলেন এবং তারই সুযোগ্য পুত্র মোঃ নাসিম মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম একজন সংগঠক ছিলেন এবং পাবনার জেলার নের্তৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি অনেকবার জেল জুলুম অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করেছেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর তাকে গ্রেপ্তার করে অন্যায়ভাবে সাজা দেয়া হয়। যার কারণে ১৯৭৯ সনের সাধারন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করতে পারেন নাই। মোঃ নাসিম জীবনে কোনদিন নির্বাচনে হারেন নাই। তিনি ১৯৮৬-৯১-৯৬-২০১-১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন।

আমাদের দেশে যখন ওয়ান ইলেভেনের সরকার ক্ষমতায় আসে সামরিক বাহিনীর সহায়তা নিয়ে তখন ও মোঃ নাসিমকে গ্রেপ্তার করে কাশিমপুর কারাগারে রাখে, সেখানেই তিনি প্রথম স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বর্ণাঢ্য রাজনীতিবিদ মোঃ নাসিম যিনি সংগঠক হিসেবে আওয়ামী লীগের প্রথম প্রচার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯২তে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ১৪ দলে মুখপাত্র ছিলেন। ৯৬ সনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে তিনি প্রথম ঢাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ছিলেন, হয়েছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী, তার পর ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ২০১৪ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন।

তিনি নিষ্ঠার সাথে কাজ করে গেছেন। তিনি অনেক আন্দোলনের পুর্বভাগে ছিলেন। অনেকবার তিনি পুলিশ কর্তৃক নিযাতন সহ্য করেছিলেন, কিন্তু তিনি থেমে থাকেন নাই কোনদিন। নাসিম একজন বড় মাপের নেতা ছিলেন। এবং প্রতিটি আন্দোলনের মুখ্য ভুমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ১৯৮৬ সনের জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের হুইপ ছিলেন। এমন একজন মহান ব্যাক্তিত্ব আমাদের কাছ থেকে চলে গেলেন, তার অভাব কোনদিন পুরণ হবার নয়। সত্যিকার অর্থে তিনি একজন পরীক্ষিত নেতা ছিলেন, তার ব্যাবহার ছিল অমায়িক, আমরা তার বড় ছিলাম, তিনি আমাদের প্রচন্ড সম্মান করতেন। আমি তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করি। তিনি ৩ ছেলে ও স্ত্রীকে রেখে গেছেন, তার পিতার নামে একটি হাসপাতাল আছে উত্তরায়, যেটা তিনি পরিচালনা করতেন। আজকে নাসিম নেই। নাসিমের মৃত্যুতে আমার মন পচন্ড খারাপ। পরম করুনাময় আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করি মহান আল্লাহ যেন তাহাকে বেহেস্ত নসীব করেন।





মনপুরায় মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও সার বোঝাই ট্রলারসহ এক পাচারকারী আটক

মনপুরায় মিয়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট ও সার বোঝাই ট্রলারসহ এক পাচারকারী আটক

ভোলা বিজনেস ফোরাম-৮৬'র প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত

ভোলা বিজনেস ফোরাম-৮৬'র প্রথম বার্ষিক সাধারণ সভা পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত

চরফ্যাশনে নজরুল বর্ষের পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

চরফ্যাশনে নজরুল বর্ষের পুরস্কার বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নিরাপত্তা কৌশলে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে না রাখতে পিজিআরের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

নতুন নীতিতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে: রাষ্ট্রপতি

নতুন নীতিতে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে: রাষ্ট্রপতি

নিরাপত্তার কড়াকড়িতে জনগণ যেন সরকারপ্রধান থেকে দূরে সরে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

নিরাপত্তার কড়াকড়িতে জনগণ যেন সরকারপ্রধান থেকে দূরে সরে না যায়: প্রধানমন্ত্রী

ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ৫ জেলায় বন্যার সতর্কতা

তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান আইন সময়োপযোগী করা হবে : তথ্যমন্ত্রী

জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী : মির্জা ফখরুল

জাইকা বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী : মির্জা ফখরুল

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক আর নেই

আরও...