অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬ | ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩


তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৪ সন্ধ্যা ০৬:১৬

remove_red_eye

২৯১

ভারত থেকে নেমে আসা ঢল আর টানা বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। পানির চাপ সামলাতে তিস্তার ৪৪ জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।

ফলে তিস্তার পানি বেড়ে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

 

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি আরও বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো ডালিয়া বিভাগের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পানি পরিমাপক নূরুল ইসলাম জানান, ভারী বৃষ্টিপাত আর ভারত থেকে নেমে আসা পানিতে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে শনিবার সকাল ৯টায় ৫২ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় ৫২ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার এবং বিকেল ৩টায় ৫২ দশমিক ১২ সেন্টিমিটার পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।

এদিকে তিস্তার পানি বাড়ায় ডিমলার তিস্তাপারের চর ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। তাতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেশ কয়েকটি চরের বাসিন্দারা। ডুবে গেছে বোরো ফসলের ক্ষেত। লোকজনও নিরাপদ স্থানে যাচ্ছেন। নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে। সেই সঙ্গে ফসলি জমিতে পানি ওঠায় নষ্ট হচ্ছে আগাম শীতকালীন শাকসবজি, বীজতলাসহ বিভিন্ন ফসল।

বন্যার্ত এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ উপজেলা প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
ডালিয়া পাউবোর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রাশেদীন বলেন, উজানের ঢল আর বর্ষণে তিস্তায় পানির প্রবাহ বেড়েছে। সবগুলো জলকপাট খুলে পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বিপৎসীমা অতিক্রম না করলেও পানি ছুঁইছুঁই করছে। যেকোনো সময় পানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।