অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ২রা মে ২০২৬ | ১৯শে বৈশাখ ১৪৩৩


লালমোহনে ক্ষতিগ্রস্ত পুল সংস্কার হচ্ছে না ১ মাসেও


লালমোহন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১১ই মে ২০২৪ রাত ০৮:৪৩

remove_red_eye

৩১০

                    পুলটি ভেঙ্গে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই


লালমোহন সংবাদদাতা : লালমোহনে একটি পুল ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পরেছে ৬ গ্রামের মানুষ । উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের জনতাবাজার কামারের খাল এলাকায় অবস্থিত এ পুল পাড় হয়ে প্রতিদিন  হাজার হাজার  মানুষ উপজেলা প্রশাসন, থানা ও হাসপাতালে যাতায়াত করে । এছাড়া পুলটি ভেঙ্গে যাওয়ায় বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচলও বন্ধ রয়েছে প্রায় ১ মাস ধরে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে , প্রায় ১ মাস আগে মেঘনা নদীর ভাঙ্গন রোধে কাজ করা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের একটি ভারী লোড গাড়ি এ পুলটি দিয়ে যাওয়ার সময় পুলটি ভেঙ্গে যায়। সে থেকে এ পুলটি দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এই পুলটি পাড় হয়ে কুন্ডেরহাওলা, পাটারিরহাট, দীঘিরপাড়,কামারেখাল, কোপখালী এবং জনতাবাজার এলাকার হাজার হাজার মানুষ চতলা বাজার ও মঙ্গলসিকদার বাজার হয়ে লালমোহন উপজেলা, থানা ও হাসপাতালে যাতায়াত করে। কিন্তু পুলটি ভেঙ্গে যাওয়ায় মানুষের দুর্ভোগের সীমা নেই।
স্থানীয় সালাউদ্দিন মেম্বার ও মফিজুল ইসলামসহ এলাকাবাসী জানান, আগামী ২৫ মে ধলীগৌরনগর ইউপি নির্বাচন এবং ২৯ মে লালমোহন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এই দুটি নির্বাচনে ইউনিয়নটির বোর্ড মডেল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র এবং চতলা হাসেমিয়া মজিদিয়া মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্রে ভোটার ও প্রশাসনের গাড়ি প্রবেশ করতে প্রতিবন্ধকতার শিকার হবে। এই অবস্থায় পুলটি  দ্রæত সংস্কারের দাবী জানান তারা।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিরাজ হোসেন বাচ্চু জানান, ভোলা-২ পানী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদেরকে বিষয়টি জানিয়েছি। এই পুলটি দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে না পারা সত্বেও তাদের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ভারী যানবাহন চলাচল করার কাররে পুলটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কিন্তু তারা মেরামতের কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।  
অপরদিকে ভোলা-২ পানী উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহামুদ বলেন, পানী উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদারের গাড়ি গেছে বলে প্রশ্ন ওঠছে কেন। পুল করা হয়েছে জনস্বার্থে। গাড়িও জনগনের। সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়ভার কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না। ওই পুল দিয়ে বহু বছর ধরে যানবাহন চলাচল করে আসছে। এ ছাড়া পুলটি দিয়ে ভারী যানবাচন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয়নি এলজিইডি।