অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শনিবার, ১৪ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২রা ফাল্গুন ১৪৩২


তীব্র গরমে ক্লাসরুম হয়ে গেলো ‘সুইমিং পুল’, আনন্দে মাতলো শিশুরা


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৩০শে এপ্রিল ২০২৪ বিকাল ০৫:০৫

remove_red_eye

৩৯৫

কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমারসহ দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব-এশিয়ার দেশগুলোতে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। গরমে ঘরের বাইরে যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে সব বয়সের মানুষের জন্য। শিশুদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এরই মধ্যে স্কুল বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। একই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কিছু রাজ্যও। তবে দেশটির বাকি অংশে এখনো স্কুল-কলেজ খোলা। সেসব জায়গায় তীব্র গরমের মধ্যেই ক্লাসে যেতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।

ভারতের যেসব রাজ্যে ভয়ংকর তাপপ্রবাহ চলছে, তার মধ্যে অন্যতম উত্তর প্রদেশ। সেখানে কয়েকদিন ধরেই তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের আরামের জন্য অভিনব উপায় বের করেছে সেখানকার একটি স্কুল। তারা একটি ক্লাসরুমকে কৃত্রিম সুইমিং পুলে রূপান্তরিত করেছে। তার মধ্যেই সাঁতার কাটছে, জলকেলি করছে ছোট ছোট শিশুরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে জানা যায়, স্কুলটি উত্তর প্রদেশের কনৌজ জেলার মাহসুনপুর গ্রামে অবস্থিত। ওই এলাকায় তীব্র দাবদাহের কারণে কয়েকদিন ধরে স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ব্যাপকভাবে কমে গেছে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করতে এই অভিনব বুদ্ধি বের করেছেন শিক্ষকরা।

 

ভিডিওতে দেখা যায়, ক্লাসরুমের ভেতর কৃত্রিম সুইমিং পুলে মনের আনন্দে খেলা করছে একদল শিশু। অল্প পানির ভেতরে কেউ সাঁতার কাটার কাটার চেষ্টা করছে, কেউ পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে দিচ্ছে সহপাঠীদের।

স্কুলটির অধ্যক্ষ বৈভব রাজপুত বলেন, কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রয়েছে। এর কারণে স্কুলে শিশুদের উপস্থিতি মারাত্মকভাবে কমে গেছিল। কিন্তু স্কুলের একটি ক্লাসরুমে পানি ভরে দেওয়ার পর শিশুরা আবার আসতে শুরু করেছে। তারা এখন পড়াশোনা করছে, পাশাপাশি সাঁতার কেটে গরম থেকে স্বস্তিও পাচ্ছে।

ভারতের বেশিরভাগ অংশেই এখন চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ। ভয়ংকর গরমে পুড়ছে উড়িষ্যা, অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, ছত্তিশগড়, বিহার, উত্তর প্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলো। কোথাও কোথাও তাপমাত্রার পারদ উঠেছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি) গত সোমবার জানিয়েছিল, দেশটির পূর্বাংশে আগামী ১ মে পর্যন্ত এবং দক্ষিণাংশে পরবর্তী পাঁচদিন পর্যন্ত তীব্র দাবদাহ চলতে পারে।

এসব এলাকার মানুষদের অতি জরুরি কাজ ছাড়া ঘরের বাইরে বের না হতে পরামর্শ দিয়েছে আইএমডি।

 

সুত্র জাগো