অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২২শে মে ২০২২ | ৮ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯


কাউকে নির্বাচনে আনা সরকারের দায়িত্ব না: ক‌াদের


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৯ই এপ্রিল ২০২২ বিকাল ০৪:০৭

remove_red_eye

৩২

দেশের সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়ে নির্বাচন হবে, জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘কাউকে নির্বাচনে আনা সরকারের দায়িত্ব না।’

শুক্রবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে গণমাধ‌্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আইন অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। তবে আমরা প্রত্যাশা করি, গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসী সকল রাজনীতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে এবং বিএনপি ষড়যন্ত্রের পথ পরিহার করে জনকল্যাণের রাজনীতিতে নিজেদের নিয়োজিত করবে।’

 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যেকোনো উপায়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যেকোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে প্রস্তুত বলেও জানান ওবায়দুল কাদের।

এ সময় বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ‘ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বক্তব্যের’ নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ওবায়দুল কাদের।

 

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে, জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। এ দেশের মানুষের হৃদয়ের আবেগ ও অবিভাজিত বোধের এক অপরাজেয় শক্তির নাম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ সরকারের কারো কাছে ধরনা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।’

‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জানে, রাজনীতি করতে হলে জনগণের ভালবাসা ও সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ক্ষমতালিপ্সু বিএনপি হত্যা-ক্যু-ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে মানুষের কল্যাণের জন্য কিছু করেনি। বিএনপির এই অপরাজনীতির কারণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘গণতন্ত্র সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের ফল। কিন্তু, গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে প্রতিষ্ঠিত বিএনপি মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী অপরাজনীতি শুরু করে। মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্যের বিপরীতে বিভেদের অপরাজনীতির প্রচলন করে।’

 

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, বিদেশে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বা বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার কোনো প্রভু নেই। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত এই পথেই আওয়ামী লীগ সরকার পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করে। যেখানে বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থই মূল বিবেচ্য বিষয়।’