অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বুধবার, ২২শে সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭ই আশ্বিন ১৪২৮


ভোলায় ৫২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৭টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ হচ্ছে


হাসনাইন আহমেদ মুন্না

প্রকাশিত: ৮ই সেপ্টেম্বর ২০২১ রাত ১০:৩৪

remove_red_eye

৪৬

হাসনাইন আহমেদ মুন্না : ভোলা জেলার ৭ উপজেলায় ৫২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৭টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বাস্তবায়নে বিশ্ব ব্যাংক’র অর্থায়নে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোর ৪০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ‘বহুমুখী দূর্যোগ আশ্রয় প্রকল্প’র মাধ্যমে গত বছরের মার্চ মাসে এর কাজ শুরু হয়। ১০ হাজার ৫০০ স্কয়ার ফিট জমির উপর তিনতলা বিশিষ্ট প্রতিটি স্কুল কাম সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ আগামী বছরের মার্চের মধ্যে শেষ করা হবে।
১০ তলা ফাউন্ডেশনের এসব আশ্রয় কেন্দ্রে পরবর্তিতে আরো সম্প্রসারণ করা যাবে। দূর্যোগকালীন সময়ে প্রতিটি কেন্দ্রে ২ হাজার মানুষ অবস্থান নিতে পারবে। ব্যবস্থা রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত গবাদী পশু রাখারও। এতে করে প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রায় দুই লাখ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে।
 ভোলা এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলীল জানান, ভোলা দ্বীপ জেলা হওয়াতে এখানে সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ অত্যন্ত গুত্বপূর্ণ। নতুন নির্মিত এসব আশ্রয় কেন্দ্রে অত্যাধুনিক সকল সুজোগ সুবিধাই থাকছে। নিচ তলাটি ফাকাঁ থাকার ফলে দুর্যগকালীন সময়ে সহজেই পানি সরে যেতে পাড়বে এবং অন্য সময়ে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান করা যাবে নিচের তলায়।
তিনি জানান, কাজের শতভাগ গুণগত মান বজায় রাখার জন্য নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া একই প্রকল্পের আওতায় ২৪০ কোটি টাকায় ৪২টি সাইক্লোন সেল্টার নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এগুলো চালু হলে দুর্যোগ মোকাবেলায় এই অঞ্চলের মানুষের সক্ষমতা বাড়বে। জনমনে নিরাপত্তাহীনতা দূর হয়ে স্বস্তি ফিরে আসবে।
এলজিইডি’র কর্মকর্তারা জানান, মোট ৯৭টি সাইক্লোন সেল্টারের মধ্যে ভোলা সদরে হচ্ছে ১৭টি। দেওলতখানে ৯টি। বোরহানউদ্দিনে ১০ টি। লালমোহনে ২২টি। তজুমদ্দিনে ১০টি। চরফ্যাসনে ২৩টি ও মনপুরায় ৬টি রয়েছে।