অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, রবিবার, ২০শে জুন ২০২১ | ৬ই আষাঢ় ১৪২৮


বোরহানউদ্দিনে সাড়ে ৩ হাজার পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান , কাচা সড়ক বিলীন


বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২৫শে মে ২০২১ রাত ১০:৩০

remove_red_eye

১৭১

বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি : ভোলার বোরহানউদ্দিনে ঘূর্ণিঝড় ইয়াশের প্রভাব ও পূর্ণিমার জো’র কারণে মঙ্গলবার দুপুরে প্রমত্তা মেঘনার পানি  বিপদসীমার ১৯ সেনিইমটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অন্তত: ৩ হাজার পরিবার প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া শতাব্দী প্রাচীণ হাকিমুদ্দিন বাজারের প্রায় দুইশত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এক কোমড় পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। মেঘনা সংলগ্ন হাসান নগর ইউনিয়নের এক কিলোমিটার কাঁচা সড়ক সম্পূর্ন বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া টবগী ও হাসাননগর ইউনিয়নের প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকার কাঁচা সড়ক ধ্বসে গেছে। উদয়পুর-হাকিমুদ্দিন পাঁকা সড়কের  উপর দিয়ে নদীর পানি পানি প্রবাহিত হয়েছে।

স্থানীয় হাকিমুদ্দিন বাজার তলিয়ে দুই শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ২ কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। নদী সংলগ্ন ৪ ইউনিয়নের পুকুর ও ঘেরের ৫ লক্ষাধিক টাকার মাছ চলে গেছে। উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত হাকিমুদ্দিন রুহুল আমিন হাজি, উজ্জল হাওলাদার জানান, ২ শতাধিক ব্যবসায়ীর প্রায় ২ কোটি টাকার মালামাল নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া লঞ্চ ঘাটের স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাসাননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মানিক হাওলাদার জানান, ওই ইউনিয়নের ৪ ও ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের বাঁধের বাইরের অংশে ও বেড়িবাঁধে বাস করা  প্রায় ২ হাজার  মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের ১ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া হাকিমুদ্দিন-মৃজাকালু কাঁচা সড়ক অধিকাংশ স্থান দিয়ে ধ্বসে গেছে।

টবগী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল আহসান চৌধুরী জানান, তাঁর ইউনিয়নের ৩,৪ ও ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের প্রায় ১ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নি¤œ আয়ের মানুষ। এছাড়া ৪ নাম্বার ওয়ার্ডের হাকিমুদ্দিন টু খাসমহল কাঁচা সড়ক ধ্বসে গেছে।

পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাগর হাওলাদার জানান, তাঁর এলাকার ১, ২ ও ৩ নাম্বার ওয়ার্ডের প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  এছাড়া বড়মানিকা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জসিমউদ্দিন হায়দার জানান ৬, ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের প্রায় ১ শত পরিবারের ঘর-বাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়।
এছাড়া পৌর এলাকার ১,২,৩,৪,৫ ও ৬ নাম্বার ওয়ার্ডের কয়েকশত পরিবার প্লাবিত হয়েছে বলে পৌর মেয়র মো. রফিকুল ইসলাম জানান। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুর রহমান জানান, ইয়াশ মোকাবেলায় সর্বাত্বক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।