অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর ২০২৬ | ২১শে আশ্বিন ১৪৩৩


বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে ভোলায় আনন্দে মেতে উঠে মুক্তিযোদ্ধাসহ সাধারণ মানুষ


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ই ডিসেম্বর ২০২০ রাত ১১:০৪

remove_red_eye

৬৪৮



হাসনাইন আহমেদ মুন্না : ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের সেই মাহেন্দ্রক্ষণে ভোলাতেও আনন্দে মেতে উঠে মুক্তিযোদ্ধাসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ। পাকবাহিনীর রেসকোর্স ময়দানে আত্বসমর্পনের খবর রেডিওতে প্রচারের ফলে মুহুর্তের মধ্যে উল্লাসে ফেটে পড়ে দ্বীপজেলা ভোলার মানুষ। যে যার অবস্থান থেকে সেদিন রাজপথে নেমে আসে বিজয়ের সুখে। রাজপথে স্রোতের মত মানুষের বাঁধভাঙ্গা উচ্ছাস বিজয়কে বরণ করে নেয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, তোমার নেতা আমার নেতা, শেখ মুজিব, শেখ মুজিব, ইত্যাদী ¯েøাগানে রাজপথ প্রকম্পিত হয় ১৬ ডিসেম্বর।
মুহুর্তের মধ্যে সকল সরকারি-বেসরকারি ও বড় বড় ভবনের পাকিস্থানী পতাকা খুলে পুড়িয়ে ফেলা হয়। উত্তোলণ করা হয় লাল সবুজের স্বাধীন দেশের পতাকা। একইসাথে চলে রং ছিটানোর উৎসব ও মিষ্টি বিতরণ। যদিও ১০ ডিসেম্বর পাকবাহিনীর পলায়নের মাধ্যমে ভোলা মুক্ত হওয়ার পর থেকেই এখানে আনন্দ চলতে থাকে। ১৬ ডিসেম্বর যেন তা পূর্ণাঙ্গ রুপ লাভ করে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: দোস্ত মাহমুদ জানান, ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার খবরে আমাদের আনন্দের সীমা থাকেনা। আমরা মুক্তিযোদ্ধারা আকাশে ফাঁকা গুলি করে বিজয়কে স্বাগত জানাই। বিভিন্ন স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধারা শহরে সমবেত হতে থাকে । জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিতে দিতে আমরা রাজপথে নেমে যাই। সেদিন সাধারণ মুক্তিকামী মানুষও আমাদের সাথে পথে নেমে আসে। এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তিনি জানান, মুক্তিযোদ্ধা হাই কমান্ড ছিদ্দিকুর রহমান, আলী আকবর (বড় ভাই), হাবিবুর রহমান, মো: ছাদেক, আব্দুল মমিন টুলু (বর্তমান জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান), নানু ভাই, শষি, মো: সাইফুল্লাহ, মো: ছালেহ আহমেদ, গাজী জয়নাল আবেদিন, তিনি মো: দোস্ত মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম, একে এম খাইরুল আলম ভুলু, আবুল হোসেন, সুবেদার সিদ্দিক, মাহবুবুর রহমান শিশু, ফিরোজ আহমেদ, মো: রাজ্জাক, মুজিবুর রহমান, সফিকুল ইসলামসহ আরো অনেক মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে শহরে বিজয় র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: সফিকুল ইসলাম বাসস’কে বলেন, বিকেলে শহরের সদরোডস্থ বরিশাল দালানের সামনে জনতা ও মুক্তিযোদ্ধারা মিলে বিজয় সমাবেশ করি আমরা। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আনন্দ, বেদনা, কষ্টের অনুভুতি প্রকাশ করি সেই সমাবেশে। সাধারণ মানুষ ব্যাপক করোতালী ও উচ্ছাসের মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানান।
মুক্তিযোদ্ধা একে এম খাইরুল আলম ভুলু ব বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালী জাতীর জীবনে যেমন গৌরবের দিন, তেমনি প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার জীবনে স্বরণীয় দিন। কারণ আমরা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে যাই। তাই স্বাধীনতার চেয়ে আরধ্য আর কিছু ছিলোনা আমাদের কাছে।





শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত : ডা. জুবাইদা রহমান

শিশুদের শৈশব হতে হবে নিরাপদ ও সুরক্ষিত : ডা. জুবাইদা রহমান

বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলাদেশে কানাডার বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান রাষ্ট্রপতির

জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন,  গেজেট প্রকাশ

জাতিসংঘে ভাষণ দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন, গেজেট প্রকাশ

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব : এলজিআরডি মন্ত্রী

জনগণের সেবা করাই নির্বাচিত সরকারের প্রধান দায়িত্ব : এলজিআরডি মন্ত্রী

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জিতলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল জিতলেন ফ্রান্সিস হ্যালজেন

মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে সংঘাত, আহত-৫

মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের মধ্যে সংঘাত, আহত-৫

ভালোবাসার এক অদ্ভুত রসায়ন মান্নান স্যার

ভালোবাসার এক অদ্ভুত রসায়ন মান্নান স্যার

লালমোহনে মা ইলিশ সংরক্ষণে টাস্কফোর্সের সভা

লালমোহনে মা ইলিশ সংরক্ষণে টাস্কফোর্সের সভা

লালমোহনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

লালমোহনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা

আরও...