অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, মঙ্গলবার, ১৯শে জানুয়ারী ২০২১ | ৫ই মাঘ ১৪২৭


ভোলায় মাস্ক না থাকায় দুই শতাধিক মানুষের জেল-জরিমানা


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৫শে নভেম্বর ২০২০ রাত ০৯:৪৯

remove_red_eye

১৫৪

 হাসনাইন আহমেদ মুন্না  ভোলা জেলায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও মাস্ক পড়ার বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। মাস্ক না পড়ার দায়ে গত ১৫ দিনে দুই শতাধিক মানুষকে জেল-জরিমানা করা হয়েছে। প্রায় ৮০ টির মত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৬২ জনকে লক্ষাধিক টাকা জরিমানা ও ৪১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া কোভিড-১৯ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে চালানো হচ্ছে নানান প্রচার প্রচারণা। অপর দিকে ই্য ভোলা সদর হাসপাতালে ৩টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা দেয়া হয়েছে। তা ছাড়াও সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম কিছুদিনের মধ্যেই চালু হবে।
এদিকে সাধারণ মানুষকে বার বার হাত ধোয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর’র পক্ষ থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে হাত ধোয়ার বেসিন। যেখানে দুইটি টেপের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পানির ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রতিদিন একটি সাবান দেওয়া হয়। প্রশাসনের নিয়মিত তৎপড়তায় ইতোমধ্যে শহরের প্রায় ৯০ ভাগ মানুষ মাস্ক পরিধান করছে। গ্রামগঞ্জে মাস্ক একটু কম ব্যবহার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এটা বাড়ছে। মূলত শহর এলাকা ও বিভিন্ন উপজেলার হাট বাজারগুলোতে বেশি নজর দিচ্ছে প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক মো: মাসুদ আলম ছিদ্দিক জানান, কভিড-১৯ মোকাবেলায় প্রথম থেকে জেলা প্রশাসন মাঠে কাজ করছে। যার ফলে অনান্য জেলার চাইতে ভোলায় করোনা পরিস্থিতি অনেক ভালো। ইতোমধ্যে আফিস, আদালত, ব্যাংক, শপিং মল, বাসটার্মিনাল, রেস্তোরাসহ সকল সেবাদান প্রতিষ্ঠানে মাস্ক না থাকলে সার্ভিস দেয়া হচ্ছেনা। এমনকি বিনোদন কেন্দ্রালোও মাস্ক পড়ে ডুকতে হচ্ছে। এসব স্থানে মাস্ক ব্যবহারে সচেতনতায় বিভিন্ন প্রচার প্রচারণা চলছে।
তিনি আরো বলেন, গণজমায়েত বন্ধেও কাজ করছে প্রশাসন। কারণ ব্যাপক আকারে মানুষের উপস্থিতি এক সাথে হলে সহজেই করোনা ছড়াতে পারে। তাই এবছর সব ধরনের ওয়াজ মাহফিলসহ ধর্মীয় জনসমাগম এড়িয়ে চলার জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। তারপরেও যারা করতে চায় তাদেরকে নির্দিষ্ট সর্ত মেনে চলতে হয়।
জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ এই কর্মকর্তা জানান, মানুষ পূর্বের চাইতে মাস্ক পড়ায় অনেক সচেতন হয়েছে। কারণ ঘর থেকে বেড় হলে মাস্ক পড়তে হবে, অন্যথায় জেল-জরিমানার সম্মুখিন হতে হবে এই বোধ মানুষের মধ্যে কাজ করছে। এছাড়া ভোলা সদর হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম কিছুদিনের মধ্যেই চালু হবে। এটি চালু হলে এখানেই করোনার অক্সিজেনের চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হবে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে হাসপাতালে হাইফ্লো ন্যাজাল কোনেলা দেয়া হয়েছে ৩টি বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় ৩৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে ৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রন্ত’র সংখ্যা দাড়ালো ৮’শ ৭৯ জন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৭’শ ৮৭ জন। মৃত’্য হয়েছে ৮ জনের।