অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর ২০২০ | ১৫ই কার্তিক ১৪২৭


ভোলার পশ্চিম ইলিশায় সারকারি খাল ভরাট করে জমি দখলের অভিযোগ


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৬ই অক্টোবর ২০২০ রাত ১০:১৩

remove_red_eye

৩৩২


জসিম রানা : ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া গ্রামে সরকারি খাল ভরাট করে জমি দখল করে নিচ্ছে “ফাইভ ষ্টার” ব্রিক্স। নামে একটি ইট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এতে ফুঁসে উঠেছে ওই এলাকার কৃষকসহ সাধারণ জনগন। এ ব্যাপারে সম্মিলিত এলাকাবাসী ভোলা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভূমি অফিসসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ পত্র দাখিল করেছে।


স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া গ্রামের ৬নং ওয়ার্ডে, পুরাত হ্যালিপ্যাড রোড নিবাশি মৃত সেরাজল হক বেপারীর ছেলে আবদুল খালেক (টিন খালেক) সিমিত আকের কিছু সংখ্যক জমি ক্রয় করে ফাইভ ষ্টার নামে একটি ইটের ভাটা নির্মান করেন। পরবর্তিতে ইট তৈরীতে তার ব্যাপক যায়গার প্রয়োজন হলে সে স্থানীয় সাধারণ জনগনের জমি দখলের পায়তাড়ায় লিপ্ত হয়। এক পর্যায়ে তার ইট ভাটার পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহমান একটি সরকারি খাল যার প্রস্থ (পাশ) ছিল ৪০ ফুট। সে খালটি সে পর্যায়ক্রমে ভাড়াট করে দখল করে নেয়। খালটি ভরাট করেতে করেতে বর্তমানে এর প্রস্থ এসে দাড়িয়েছে মাত্র ৮ ফুটে। এর মধ্যেও টিন খালেক বিবেক বুদ্ধির মাথা খেয়ে এলাকার সাধারণ কৃষকদের কথা চিন্তা না করে ৪০ফুট প্রস্থ খালটির মাঝখান দিয়ে নিজের সুবিধা মত ড্রেন তৈরীর কাজ চালু করেছে। এ ব্যাপারে ওই এলাকার ভূক্তভোগী কৃষক আবুল কাশেম, মোতালেব হোসেন, ওমর ফারুখ, হদিছ মুন্সি, নাছির উদ্দিন ও আবুল হাশেমসহ অনেকে জনান, এ খালটি দীর্ঘদিন যাবৎ আমাদের কৃষি ফসলের সেচ কাজসহ এলাকার কৃষক ও সাধারণ মানুষের বিভিন্ন চাহিদা মিটিয়ে আসছিল। টিন খালেক এখানে ইট ভাটা তৈরি করার পর সে তার ইট ভাটাটি বড় করার জন্য ৪০ ফুট পাশে চওড়া খালটি ভরাট করতে করেত এখন ৮ ফুটে এনেছে। এতে আমাদের কৃষকদের সেচ কাজে ব্যাঘাত ঘটার কারণে আমরা চরম দূর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। এ খালটি যদি একেবারে বন্ধ হয়ে যায় তবে আমাদের দূর্ভোগের শেষ থাকবে না।


এ ব্যাপারে  ইট ভাটা মালিক কে  এলাকাবাসী কাজ বন্ধের জন্য একাধিকবার অনুরোধ করলেও সে তাদের কথায় কোন তোয়াক্কা করছে না।  পরে  এলাকার কৃষকগন ভোলা জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ‚মি কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে আভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামানা করেন পাঙ্গাশিয়া গ্রামের সাম্মিলিত সাধারণ জনগন।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত ইটভাটার মালিক আবদুল খালেকের সাথে যোগাযোগ হলে তিনি বলেন, সে কিছু দিন আগে ওই খালটিসহ ইট ভাটার জমি ক্রয় করেছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ সত্য নয়।