লালমোহন প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১১ই ডিসেম্বর ২০২৩ রাত ১০:১১
৪১৮
লালমোহন প্রতিনিধি : যক্ষ্মা শব্দটি এক সময় ছিল আতঙ্কের নাম। বলা হতো; যক্ষ্মা হলে রক্ষা নেই। কয়েক বছর আগেও গ্রামাঞ্চলে কেউ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হলে ওই এলাকার সকল মানুষ আতঙ্কে থাকতেন। তবে সময় বদলেছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা ব্যবস্থা হয়েছে আধুনিক। বর্তমানে এখন য²ায় আক্রান্ত হলে আগের সেই আতঙ্ক নেই। সঠিক সময়ে-সঠিক চিকিৎসায় এই দুরারোগ্য যক্ষ্মা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
এমনইভাবে ভোলার লালমোহন উপজেলায় ২০২৩ সালের চলতি মাস পর্যন্ত মোট ৫২৯ জন য²ায় আক্রান্ত হয়ে সুস্থ্য হয়েছেন ২৮৪ জন রোগী। বর্তমানে ২৪৫ জন রোগী বিনামূল্যে চিকিৎসা নিচ্ছেন। যার মধ্যে শিশু রয়েছে ১৮ জন। লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্যমতে, বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী রয়েছে উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে ৫২ জন রোগী যক্ষ্মায় আক্রান্ত। এরপরের স্থান ধলীগৌরনগর ইউনিয়নে। সেখানে আক্রান্ত ৪৪ জন রোগী। ৪৩ জন আক্রান্ত পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নে। কালমা ইউনিয়নে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রয়েছেন ৩২ জন রোগী। এছাড়া ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নে ২১ জন, লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নে ২০ জন, লালমোহন ইউনিয়নে ১৬ জন, চরভূতা ইউনিয়নে ১০ জন। ইউনিয়নের হিসেবে সর্বনি¤œ যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগী বদরপুর ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নে আক্রান্ত রোগী ৭ জন।
লালমোহনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিনামূল্যে কফ্ ও জিন এক্সপার্ট পরীক্ষার মাধ্যমে এসব রোগীর যক্ষ্মা শনাক্ত করা হয়। এছাড়া আক্রান্তদের ৬ মাসের জন্য পূর্ণমেয়াদে সঠিক মাত্রায় বিনামূল্যে সরকারিভাবে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এই চিকিৎসা কার্যক্রমে সহযোগিতা করে ব্রাক নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
জানা যায়, সাধারণত তিন সপ্তাহের বেশি কাশি, জ্বর, কাশির সঙ্গে কফ এবং মাঝেমধ্যে রক্ত বের হওয়া, ওজন কমে যাওয়া, বুকে ব্যথা, দুর্বলতা ও ক্ষুধামন্দা ইত্যাদি যক্ষ্মার প্রধান উপসর্গ। তবে কিছু বিষয়ে সচেতন হলেই কমে আসতে পারে যক্ষ্মায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। যার মধ্যে রয়েছে- জন্মের পরপর প্রতিটি শিশুকে বিসিজি টিকা প্রদান, হাঁচি-কাশি দেওয়ার সময় রুমাল ব্যবহার করা, যেখানে-সেখানে থুথু না ফেলা। এছাড়া আক্রান্ত রোগীর কফ-থুথু নির্দিষ্ট পাত্রে ফেলে তা মাটিতে পুঁতে ফেলা।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ইউএইচএফপিও) ডা. মো. তৈয়বুর রহমান বলেন, সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে যক্ষ্মা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তাই উপজেলাবাসীর প্রতি আমার আহবান থাকবে; কারো যদি দুই সপ্তাহের বেশি কাশি থাকে তাহলে নিকটস্থ কমিউনিটি ক্লিনিক ও ব্রাক সেন্টারে এসে কফ পরীক্ষা করানোর। এই কফ পরীক্ষার মাধ্যমে কারো যক্ষ্মা শনাক্ত হলে তাকে বিনামূল্যে সরকারিভাবে পূর্ণমেয়াদী চিকিৎসা প্রদান করা হবে। আক্রান্ত রোগীকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণও করা হয়। যার মাধ্যমে আক্রান্ত ব্যক্তি পরিপূর্ণ সুস্থতা লাভ করবেন ইনশাআল্লাহ। তবে কেউ চিকিৎসায় অবহেলা করলে তার বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এমনকি বাড়তে পারে মৃত্যু ঝুঁকিও।
ভোলায় মৎস্যজীবী দলের ৩৯ সদস্যের কমিটি অনুমোদন
ভোলায় এখন টিভির সাংবাদিকের বাসায় দুধর্ষ চুরি
লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল
লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধ বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত
বোরহানউদ্দিনে ১০০ পিস ইয়াবা ও ৪৮,৫০০ টাকা উদ্ধার, মা’দক ব্যবসায়ী আটক
ভোলায় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে শানে সাহাবা জাতীয় খতীব ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ
লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন
মনপুরায় ইউপি মেম্বারকে পিঠিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দেওয়ার ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার-২
দৌলতখানে পুকুর থেকে প্রতিবন্ধী যুবকের মরদেহ উদ্ধার
যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
ভোলায় বিষের বোতল নিয়ে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকা
ভোলায় পাঁচ সন্তানের জননীকে গলা কেটে হত্যা
উৎসবের ঋতু হেমন্ত কাল
ভোলার ৪৩ এলাকা রেড জোন চিহ্নিত: আসছে লকডাউনের ঘোষনা
ভোলায় বাবা-মেয়ে করোনায় আক্রান্ত, ৪৫ বাড়ি লকডাউন
ভোলায় এবার কলেজ ছাত্র হত্যা, মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার
ঢাকা-ভোলা নৌ-রুটের দিবা সার্ভিসে যুক্ত হলো এমভি দোয়েল পাখি-১র
কাশফুল জানান দিচ্ছ বাংলার প্রকৃতিতে এখন ভরা শরৎ
জাতীয় সংসদে জাতির পিতার ছবি টানানোর নির্দেশ
ভোলায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত