অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, সোমবার, ৪ঠা মে ২০২৬ | ২১শে বৈশাখ ১৪৩৩


স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করেছিল : প্রধানমন্ত্রী


বাংলার কণ্ঠ ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৬শে নভেম্বর ২০২৩ সন্ধ্যা ০৬:৫৩

remove_red_eye

৩০১

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করেছিল।
আগামীকাল ডা. শামসুল আলম খান মিলন-এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘১৯৯০ সালের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পেশাজীবী নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন-এর ৩৩তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডা. শামসুল আলম খান মিলন ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক। ’৯০-এর ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের একটি সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ঘাতকদের গুলিতে তিনি শহীদ হন।
তিনি বলেন, তখনকার স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে ডা. মিলনের আত্মত্যাগ নতুন গতি সঞ্চারিত করে। সেদিনই দেশে জরুরি আইন ঘোষণা করা হয়। কিন্তু জরুরি আইন, কারফিউ উপেক্ষা করে ছাত্র-জনতা মিছিল নিয়ে বারবার রাজপথে নেমে আসে। অবশেষে স্বৈরশাসকের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার এ সংগ্রামে যুবলীগ নেতা নূর হোসেন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অগণিত মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল সারাদেশ। তাদের সকলের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় ভোট ও ভাতের অধিকার।
তিনি ডা.শামসুল আলম খান মিলনের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

সুত্র বাসস