অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ | ২৩শে আশ্বিন ১৪৩৩


টানা দ্বিতীয়বার বরিশাল বোর্ডে পাশের হারে শীর্ষে ভোলা


ইসতিয়াক আহমেদ

প্রকাশিত: ২৮শে জুলাই ২০২৩ রাত ১১:০১

remove_red_eye

৬০৯

ইসতিয়াক আহমেদ: টানা দ্বিতীয়বার মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ফলাফলে বরিশাল বিভাগে পাশের হারে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে ভোলা জেলা।  জেলায় এবার পাসের হার ৯১.০৪। শুক্রবার (২৮ জুলাই) প্রকাশিত ফলাফল হতে এ তথ্য জানা যায়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বরিশাল এর অধীনে ০৬ জেলার মধ্যে ভোলা জেলা টানা ২য় বার পাশের হারে শীর্ষ স্থান অর্জন করেছে । ৯১.০১ পাশের হারে বরিশাল বোর্ডে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। বরিশাল বোর্ডে এবার পাশের হার ৯০.১৮।
এ বছর ভোলা জেলার ২১৬ টি স্কুল থেকে ৭ উপজেলায় ২৫ টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ১৪ হাজার ৮৭৮ জন পরীক্ষার্থী।  এদের মধ্যে পাস করেছে ১৩ হাজার ২৪৭ জন। যাদের মধ্যে ছাত্র ৬ হাজার ৮৮৭ জন এবং ছাত্রী ৬ হাজার ৩৬০ জন। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৩’শ ১১ জন। যার মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের জিপিএ-৫ সংখ্যা ৫ হাজার ৪৬২ জন, বানিজ্য বিভাগে ২২৫ ও মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬২৪ জন । ভোলা জেলায় এবার শতভাগ পাস করেছে ৪৩টি স্কুল। শহরের স্কুলগুলোর মত গ্রামের স্কুলগুলোও এবার ভালো ফল অর্জন করেছে।
বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ কুমার গাইন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। এদিকে স্কুলের এমন সফলতায় শিক্ষক ও শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম।
এদিকে এসএসসি ২০২২ ইং সালের ফলাফল বিশ্লেষনে দেখা যায়, জেলায় এবার শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ টি। ২০২২ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল ৩৩ যা এবার বেড়ে হয়েছে ৪৩ টি। পাশের হারে বোর্ডে শীর্ষে অবস্থান করলেও ২০২২ সালের তুলনায় ভোলায় পাশের হার কমেছে ১.৪৭। জেলায় ২০২২ সালে পাশের হার ছিল ৯২.৫১ কিন্তুু ২০২৩ সালে পাশের হার ৯১.০৪।
এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, ভোলা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শতভাগ শিক্ষার্থী পাশ করেছে এবং ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশের হার ৯৯.১৫। এদিকে সেরা ফলাফল করা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একেএম ছালেহউদ্দিন ক্ষোভ জানিয়ে বলেন, শিক্ষক সংকট মোকাবেলা করে তাদের শিক্ষার্থীদের পাঠ দান করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।  জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা দিপক কুমার হালদার জানান,ভোলা জেলা বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে সেরা হওয়ায় আমরা খুশি। কিন্তু সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট দূর করা না গেলে ওই সব স্কুলের শিক্ষার মান ধরে রাখা যাবে না।  শিক্ষক সংকট দূর করতে তিনি জোরালো দাবি জানান।