অনলাইন সংস্করণ | ভোলা, বৃহঃস্পতিবার, ৮ই অক্টোবর ২০২৬ | ২৩শে আশ্বিন ১৪৩৩


ভোলার চরফ্যাশনে ট্রলার ডুবির ঘটনায় ৫ জেলের লাশ উদ্ধার, নিখোঁজ ২


বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১লা জুলাই ২০২৩ সকাল ০৮:৩২

remove_red_eye

৩৫১

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক : বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ট্রলারডুবির পাঁচ দিন পর নিখোঁজ ভোলার ৭ জেলের মধ্যে ৫ জেলের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে সাগর মোহনার তিনচর এলাকা থেকে এসব লাশ উদ্ধার করে লাশবাহি ট্রলার চরফ্যাসনের সামরাজ ঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছে। সন্ধ্যা নাগাদ তারা ঘাটে পৌছাবে বলে জানা গেছে। এখনও নিখোঁজ আছে আরও ২ জেলে। এদিকে লাশ উদ্ধারের খরের নিখোঁজদের স্বজনরা সামরাজ ঘাটে ভিড় করতে শুরু করেছে। নিহত জেলেরা হলেন - মোঃ হারুন দর্জী, মোঃ শরীফ হোসেন, মোঃ ছত্তর হাওলাদার, মোঃ নুর ইসলাম ও ফজলে করিম বাড়ী। স্থানীয়রা জানান,সামরাজ ঘাটের জাহাঙ্গীর আলমের মালিকানা ট্রলার মাছ ধরতে গিয়ে ২৫ জনু সাগর মোহনায় ঢেউয়ের আঘাতে ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১৩ মাঝি মাল্লার মধ্যে জাহাঙ্গীর ও আবদুল গণিকে দূর্ঘটনার পর পরই পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালির জেলেরা জীবিত উদ্ধার করে। ২৮ জনু আবদুর রব, জাকির মিন্ত্রী, আনোয়ার, ও জাকির আকন নামের আরও ৪ জন জীবিত উদ্ধার হয়। নিখোঁজ থাকে আরও ৭ জন। সামরাজ ঘাটের আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের জানান, জীবিত উদ্ধার হওয়া জেলেদের তথ্য অনুযায়ী গতকাল ঘাট থেকে ২টি ট্রলারে করে নিখোঁজদের স্বজনরা দূর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযান চালায়। শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত সাগর মোহনার তিনচর ও শিবচর এলাকা থেকে ৫ জনের লাশ উদ্ধার করে তারা ঘাটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেছে। এছাড়া এখনো দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছে। আহত, নিহত ও নিখোঁজ সকল জেলের বাড়ি জেলার চরফ্যাশনে উপজেলার বিভিন্ন গ্ৰামে। এখনও রহিম মাঝি (৫৩) ও সিহাব (১৫) নামের দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ ২ জেলের সন্ধানে কোস্টগার্ড কাজ করছে। এঘটনায় নিহত পাঁচ জেলের পরিবারকে ভোলা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান। উল্লেখ্য, সাগরে মাছ ধরা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ওই জেলেরা প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে সাগরে মাছ ধরতে গিয়েছিল।