ঢাকা, বৃহঃস্পতিবার, ২৩শে জানুয়ারী ২০২০ | ১০ই মাঘ ১৪২৬

বাংলার কণ্ঠ প্রতিবেদক


১৪ই জানুয়ারী ২০২০ রাত ০৮:৩৫

চরফ্যাসনে রাতের আধারে বসত ঘর উত্তোলনের অভিযোগ

জাতীয়



চরফ্যাসন প্রতিনিধি : চরফ্যাসনের ওমরপুর মৌলভী বাজারে ১০বছর আগে সুলাইমানের নির্মিত দোকান ঘরটি রাতের আধারে ভেঙ্গে দিয়ে ওই স্থানে বসত ঘর নির্মান পূর্বক অবৈধ দখলে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রতিপক্ষ জামাল ও হাফেজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় সুলাইমান বাদী হয়ে জামাল ও হাফেজসহ অজ্ঞাত  ১০/১২জনকে আসামী করে চরফ্যাসন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের সত্যতা যাছাই করতে গতকাল সরেজমিনে গিয়ে ঘটনাস্থলে একটি নতুন টিনের ঘর দেখা গেছে। অন্য স্থান থেকে খন্ড খন্ড অংশে তৈরি করে এনে ঘরটি তৈরি করা হয়েছে। ঘরের পাশেই পড়ে ছিল পুরাতন ভাঙ্গা ঘরের অংশ বিশেষ ।
সুলাইমান অভিযোগ করেন, র্দীঘ ১০বছর আগে তিনি ফজলুল হকের স্ত্রী মনোয়ারা বেগমের নিকট থেকে ৩০৮১নং দলিল মুলে ওমরপুর মৌজার ৬৩নং জেএল ভুক্ত, ডিপি ১১৯৯নং খতিয়ানের ২,৩,৪ও ৫নং দাগের আধা শতাংশ জমি তাদের স্বামী স্ত্রী দুইজনের নামে সম অংশে খরিদ করে দখল বুঝে পেয়ে দোকান ঘর নির্মান করেন। নির্মানের পর থেকে সফিজল নামের জনৈক ফার্নিচার ব্যবসায়ী ঘরটি ভাড়া নিয়ে ফার্নিচার ব্যবসা করেন। বিগত তিন বছর আগে ব্যবসা ছেড়ে তিনি ঢাকা চলে যাওয়ায় দোকান ঘরটি তালাবদ্ধ ছিল। শুক্রবার গভীর রাতে প্রতিপক্ষ পাশ্ববর্তী লালমহন থানার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের আবদুল বারেক হাওলাদারের ছেলে জামাল হাওলাদার ও আবদুর রহিমের ছেলে হাফেজ তার দোকান ঘরটি ভেঙ্গে সেখানে নতুন টিনের ঘর নির্মান করে জায়গাটি অবৈধ ভাবে দখল করেছেন।
অভিযুক্ত জামাল মোবাইল ফোনে জানান,কাহারো জায়গা দখল করিনি। আমার কিনা জায়গায় আমি ঘর তুলেছি। কিনা জায়গা হলে রাতের আধারে কেন ঘর তুলেছেন এমন প্রশ্নের জবাবে জামাল বলেন,রাতের আধারে নয় আমি দিনেই ঘরটি উত্তোলন করেছি। তবে অভিযুক্ত জামালের বোন হাসিনা বেগম (উত্তোলনের পর যাকে ঘরে রেখেছেন) বলেন, আমার ভাই জামাল রাত ১২টার পর ঘরটি উঠাইয়া  আমাকে ঘরে রেখে গেছে। তাই আমি রাতে এই ঘরে ছিলাম। হাসিনার এমন বক্তব্যের ভিডিও রেকর্ড এ প্রতিনিধির কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।  এছাড়া ওই বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী জানান, এই জায়গা সোলাইয়মানের। প্রতিপক্ষরা গায়ের জোরে ঘর উঠিয়েছে।
চরফ্যাশন থানার ওসি শামসুল আরেফিন জানান, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া  হবে।